গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করার ওপর সরকার গুরুত্ব আরোপ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করার মাধ্যমে জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা এবং আদালতে মামলার জট কমাতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রীও বিভিন্ন সময়ে এটি সক্রিয় করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন।’
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ‘গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে সিনিয়র সাংবাদিকরা এ সভায় অংশ নেন।
এ সময় মন্ত্রী গ্রাম আদালতের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলাদেশে “গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (দ্বিতীয় পর্যায়)” প্রকল্প অল্প খরচে জনগণের কাছে দ্রুততম সময়ে বিচারিক সেবা পৌঁছে দিতে সরকারকে সহায়তা করছে। ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিষ্ঠিত গ্রাম আদালত উভয় পক্ষের মনোনীত সদস্যদের মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে। ফলে সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে। এজন্য সরকার সারাদেশে গ্রাম আদালতগুলোকে সক্রিয় করতে পদক্ষেপ নিয়েছে।’
তিনি জানান, ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের আগস্ট পর্যন্ত দুই বছরে প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নে এক লাখ ৩৩ হাজার ৬৬৪টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। যার মধ্যে এক লাখ ছয় হাজার ৭০২টি মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে এবং এক লাখ ৩৩৩টি মামলার সিদ্ধান্ত (রায়) বাস্তবায়ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনসে তিরিন্ক, ইউএনডিপির বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জী এবং বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রোকসানা কাদের এবং সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।








