রিস্ক ফ্যাক্টর নির্ণয় করে পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমেই দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
সোমবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনাইটেড ন্যাশনস অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) এর উদ্যোগে ন্যাশনাল ট্রেনিং ফর অ্যান্টি করাপশন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘করাপশন রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট ; অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রথমে নিজ প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির ঝুঁকি নিরূপণ করে তা নিরসনের নিখুঁত ব্যবস্থাপনার কৌশল বের করতে হবে। এ বিষয়ে এমনভাবে প্রশিক্ষণ নিতে হবে, যার মাধ্যমে সরকারি প্রতিটি সংস্থার দুর্নীতির ঝুঁকি নিরূপণ করে তা নিরসনের ব্যবস্থাপনায়, আপনারা প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।’
তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি বৈশ্বিক সমস্য। তবে এ কথাও ঠিক বেশ কিছু রাষ্ট্র পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাক্ষিত মাত্রায় সফল হয়েছে। এদেশেও রিস্ক ফ্যাক্টর নির্ণয় করে পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমেই দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। প্রথমে ব্যক্তি,পরবর্তীতে সেক্টরভিত্তিক এবং সর্বশেষ সার্বিকভাবে রিস্ক ফ্যাক্টর নির্ণয় করে তা নিরসনে সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলে অবশ্যই দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা সম্ভব।’
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউএনওডিসি’র রিজিওনাল অ্যাডভাইজার জোরানা মার্কোভিস।








