গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (আরপিও) ও সীমানা নির্ধারণ আইনের সংশোধনের খসড়া আরও পর্যালোচনার জন্য আইন সংস্কার কমিটিতে ফেরত পাঠালো নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) কমিশনের ৫৩তম সভায় এসব ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। ইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র আরও জানিয়েছে, সভায় উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য পদে নির্বাচন করার লক্ষ্যে ভোটার তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসির মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এই তালিকা তৈরি করবে। সভায় ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন নিয়ে আলোচনার আগেই তা মুলতবি করা হয়। আগামী রবিবার আবারও সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, কমিশন সভা মুলতবি করা হয়েছে। সভা শেষ হওয়ার আগপর্যন্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।
এদিন বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হয়। এতে নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর, অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বৈঠকে অংশ নেওয়া কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সীমানা নির্ধারণ আইন সংশোধনের চূড়ান্ত খসড়া কমিশন থেকে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। ওই আইনটি কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে ইসিতে ফেরত পাঠায় আইন মন্ত্রণালয়। কমিশন সভায় ওই আইন নিয়ে আবারও আলোচনা করে ভাষা সহজ করাসহ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন সংস্কার কমিটির কাছে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের খসড়াও ওই কমিটিতে পাঠানো হবে।








