মুক্তিযোদ্ধা সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ ১৩ দফা দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। রবিবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা’ সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এই দাবি জানান।
মানববন্ধনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পার করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু যেই মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়েছে, তাদের অধিকাংশ আজও নানা বৈষম্য, বঞ্চনা ও উপেক্ষার শিকার। অনেকে আজ দরিদ্র ও অসহায়। এমনকি তারা চিকিৎসা সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। তাই, মুক্তিযোদ্ধাদের সামগ্রিক কল্যাণে আমরা সরকারের কাছে ১৩ দফা দাবি জানাচ্ছি।’
দাবিগুলো হচ্ছে—মুক্তিযোদ্ধা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা, বাংলাদেশের সংবিধানে 'মুক্তিযুদ্ধ' ও 'মুক্তিযোদ্ধা' শব্দদুটি যুক্ত করার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করা, সরকারের সব বিদ্যমান তালিকা থেকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ও চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা চূড়ান্তের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিশন গঠন করা। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পোষ্যদের জন্য সব শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত কোটা পুনর্বহাল করা। মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা রাষ্ট্রীয় পরিচয়পত্র দেওয়া। মুক্তিযোদ্ধাদের বিদ্যমান সম্মানী ভাতা বাড়ানো, বিনামূল্যে চিকিৎসাসুবিধা দেওয়া ও নিশ্চিত করা। স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ ও সহজ শর্তে আবাসন ঋণ দেওয়া। একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর চিহ্নিত ও সংরক্ষণ করা।








