বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে উৎসবের আমেজের পাশাপাশি জনগণের সেবা নিশ্চিতের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষ পালনের লক্ষ্যে পরিচ্ছন্ন গ্রাম, পরিচ্ছন্ন শহর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ধূলামুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সবাইকে কাজ করতে হবে। জনগণের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটির কর্মপরিকল্পনা, কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান বিষয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দু’টি বিভাগের আওতাধীন প্রায় ৩০টি দফতর ও সংস্থা রয়েছে। দফতর ও সংস্থাগুলো কী কী কর্মসূচি পালন করবে তা নিয়ে একটি বুকলেট তৈরি করা হবে।’
সভায় জানানো হয়, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে মুজিববর্ষের কর্মসূচি শুরু হবে। এর আগে ক্ষণ গণনা শুরু করা হবে ১০ জানুয়ারি।
সভায় আরও জানানো হয়, মুজিববর্ষ পালন উপলক্ষে লোগো ও পোস্টার তৈরির কাজ চলছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ দেবে এমন সেবাসমূহের মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১২টি সেবা চিহ্নিত করে প্রতি মাসে একটি করে সুনির্দিষ্ট সেবা প্রদানের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর দেশের আর্সেনিক প্রবণ এলাকায় বিনামূল্যে ৮০ লাখ নলকূপের পানি পরীক্ষাকরণ ও চিহ্নিতকরণের কাজ করবে। জেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রতি উপজেলায় কমপক্ষে একটি লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করা হবে। বিভিন্ন দফতর ও সংস্থা আয়োজন করবে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ও কর্মজীবনের চিত্র নিয়ে বক্তব্য প্রদর্শনি ও রচনা প্রতিযোগিতা। আয়োজন করা হবে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি।
এ সময় জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রেজাউল আহসানসহ বিভিন্ন দফতর, সংস্থা প্রধান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল নাসের বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মহান নেতাদের জন্মশতবার্ষিকী যেমন আড়ম্বরপূর্ণভাবে পালন করা হয় বাংলাদেশেও তেমনিভাবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হবে।’








