হঠাৎই বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুর থেকে বদলে যায় বাতাস। শীতের কনকনে হাওয়ার সঙ্গে কুয়াশায় মোড়ানো আকাশ। দেখতে না দেখতে সন্ধ্যা নামে। রাত পার হতেই বৃহস্পতিবার সকাল ছিল একেবারে অন্যরকম। এ মৌসুমে দেরিতে আসা শীত নেমে এসেছে ঝুপ করে। লেপ বের করা নেই, মাফলার নতুন কিনতে হবে, টুপি ছাড়া এই কুয়াশায় বের হবো কী করে– এসব ভাবতে ভাবতেই দুপুর গড়ালেও সূর্যের দেখা মেলেনি। রাস্তা রাস্তায় ভ্যানে শীতের কাপড় বিক্রিতে দেখা গেলো কাপড়গুলো ভারী। দোকানিকে জিজ্ঞেস করতেই তিনি জানান, শীতটা বেশি, বাতাসও আছে। তাই বেশি ভারী কাপড়গুলো নিয়ে বের হয়েছেন। সকাল থেকে বেচা-বিক্রিও কম না।
হঠাৎ নেমে আসা শীত থেকে নিজেকে বাঁচাতে আপাদমস্তক মোড়ানোর চেষ্টা।
চলার পথে ফুটপাতের দোকান থেকেও অনেকে চট করে কিনে নিচ্ছেন শীতের পোশাক।
আগুনে উষ্ণতা খুঁজছে শীতার্ত শিশুরা।
এখনও কেনা হয়নি শীতের পোশাক।
শীতে জড়োসড়ো।
টুপি, এই শীতে অনেকের কাছেই অপরিহার্য।








