করোনাভাইরাস পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। এ অবস্থায় চীনের কাছে সহায়তা হিসেবে ভেন্টিলেটর মেশিন চেয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে গত ৭ এপ্রিল চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই‘র সঙ্গে মোমেনের মেডিক্যাল দলসহ অন্যান্য সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
চীনের মেডিক্যাল দল কবে আসতে পারে জানতে চাইলে মন্ত্রী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা যখন চাইবো। আমরা এখনও পুরোপুরি চাইনি। আমরা যেটি চেয়েছি সেটি হচ্ছে ভেন্টিলেটর। চীনের মেডিক্যাল দল এখনও চাইনি। তবে ইতোমধ্যে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আমাদের ডাক্তারদের সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনকে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য চীন সব ধরনের তথ্য, অভিজ্ঞতা এবং মেডিক্যাল টিম পাঠাতে প্রস্তুত।
প্রবাসীদের সহায়তা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন আরও জানান, করোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহায়তা করছে বিভিন্ন দূতাবাস। মন্ত্রী বলেন, ‘প্রবাসীদের সহায়তা মোটামুটি দেওয়া হচ্ছে। এখন প্রায় দেশেই কারফিউ বা লকডাউন চলছে। যেমন জেদ্দায় কারফিউ চলছে এবং খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ দুটি গাড়ির অনুমতি দিয়েছে।’
শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, ইউরোপের বিভিন্ন দূতাবাসেও টাকা পাঠানো হয়েছে, কিন্তু সেখানে তেমন প্রয়োজন নেই বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যখন আমরা টাকা পাঠিয়েছিলাম, তখন মনে হচ্ছিলো (ইউরোপে) বাংলাদেশিদের সমস্যা হবে। কিন্তু এখন ওইসব দেশগুলো বৈধ এবং অবৈধ সবাইকে সহায়তা দিচ্ছে। সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় আছে মধ্যপ্রাচ্যের বাংলাদেশিরা।’
ভারতে যেসব শিক্ষার্থী সমস্যায় আছেন তাদেরও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।








