করোনা নিয়ন্ত্রণ করায় বিদেশ থেকে গার্মেন্টসে অর্ডার আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৬ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৩৩আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৫৪

আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘অফিস-আদালত খুলে গেছে। যার কারণে আমাদের অর্থনীতি সচল। ইন্ডাস্ট্রি খুলেছে, গার্মেন্টসের অর্ডার আসছে। এটাও মানুষের সাহসের কারণে। মানুষ এখানে অর্ডার দিচ্ছে কেন? কারণ দেখেছে, এদেশ কোভিড কন্ট্রোল করে ফেলেছে। এটা একটা বিরাট বিষয়।’

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) আয়োজিত ‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা ও প্রস্তুতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ স্বাস্থ্যসেবা ভালো কাজ করেছে। তাই অর্থনীতি সচল। অন্য দেশের জিডিপি নেগেটিভ সূচকে গেলেও আমাদের সূচক কমেছে অল্প। জিডিপি প্লাস থাকার কারণে স্বাস্থ্য বিভাগের বিরাট ভূমিকা আছে। কারণ, মানুষ জানে যে অসুস্থ হলে হাসপাতালে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে। চিকিৎসা আছে। হাসপাতালের বাইরে মানুষ মরে পড়ে থাকে নাই। এই কনফিডেন্স যখন মানুষের আসে, তখন মানুষ কাজ করে।’ 

তিনি বলেন, ‘করোনা নিয়ে এমন একটা সিচুয়েশন ছিল যে কারও কোনও নলেজ নাই। আক্রান্ত হলে কী চিকিৎসা দিতে হবে এই বিষয়ে জানা ছিল না। সেখান থেকে আমরা কাজ শুরু করেছি। সীমিত জ্ঞান নিয়ে আমরা কাজ শুরু করি। করোনা চিকিৎসায় কী লাগবে আমরা জানতাম না। পৃথিবীর কেউ জানতো না। অন্যের অভিজ্ঞতা, ভুল থেকে আমরা শিখেছি। শিখে আমরা বাংলাদেশে কাজে লাগিয়েছি।’ 

টেস্ট করানোর আহ্বান

তিনি আরও বলেন, ‘একটি ল্যাব ছিল। এখন ১০৭টি ল্যাব। টেস্ট কিন্তু ১০-১২ হাজারের বেশি হচ্ছে না। এটাও একটা প্রশ্ন, কেন টেস্ট বেশি হয় না। আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু এখন আর কেউ এগিয়ে আসে না টেস্ট করার জন্য। যারা প্রয়োজন মনে করেন তারাই এগিয়ে আসেন। আমি এখনও আহ্বান করবো যে আপনারা টেস্টের জন্য আসেন। আপনারা আসেন এবং সময়মতো চিকিৎসা নিন। ভালো হয়ে যাবেন।’ 

করোনা চিকিৎসায় ২০ হাজার বেড

মন্ত্রী বলেন, ‘কোভিডের জন্য শুধু ২০ হাজার বেড আছে। এই চিকিৎসার পাশাপাশি অন্য চিকিৎসা দেওয়া যায় না। আলাদা বিল্ডিং অথবা আলাদা ফ্লোর লাগে। আমাদের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষিত করতে হয়েছে। ট্রিটমেন্ট প্রটোকল জানা ছিল না, আমরা তা তৈরি করেছি।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পিপিই সংকটে ছিলাম। কোথাও ছিল না পিপিই। তখন তো লকডাউন ছিল। কোনও কিছু নিয়ে আসা যাচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতে আমরা কাজ করেছি। এখন আমাদের পিপিই'র অভাব নেই। বিদেশে রফতানি হচ্ছে পিপিই। কাজেই পরিস্থিতি এখন পাল্টে গেছে। স্বাস্থ্য সেক্টরে কোনও লকডাউন ছিল না। তাদের সবসময় কাজ করতে হয়েছে। অন্য দেশে ওষুধের রেশনিং করতে হয়েছে। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ওষুধ রয়েছে। এটা একটা বিরাট দৃষ্টান্ত যে ওষুধের কোনও অভাব হয়নি।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘পৃথিবীর কোথাও স্বাস্থ্য সেক্টর নিয়ে এত সমালোচনা হয়নি যতটা বাংলাদেশ নিয়ে হয়েছে। এখন বাংলাদেশ প্রশংসিত।’ 

সেকেন্ড ওয়েভ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফার্স্ট ওয়েভ কবে শেষ হবে আমরা এটাই জানি না। সেকেন্ড ওয়েভ কবে শুরু হবে সেটা কবে জানবো। বাঙালি জাতি ঢেউয়ের মধ্যে থাকে। পদ্মা-মেঘনায় ঢেউ আছে। বঙ্গোপসাগরের ঢেউ মোকাবিলা করতে পারে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এলেও তা ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারবে।’ 

/এসও/এফএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক