লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলার স্বাধীনতা। সেই স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ এর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে গৃহীত হয়েছিল প্রথম সংবিধান। গণপরিষদে সেই সংবিধান গ্রহণকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অশ্রুসজল নয়নে স্মরণ করেছিলেন শহীদ ও সংগ্রামী যোদ্ধাদের। সেই নভেম্বরেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী দৃষ্টিনন্দন দুটি নৌকা ভাসানো হয় জাতীয় সংসদ ভবনের লেকে।
এই নৌকা যেন বাংলাদেশকে ধারণ করে। নৌকা ভাসানো কর্মসূচি উদ্বোধনকালে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিসত্তা এবং সংস্কৃতিকে লালন করতেন এবং বাঙালির সংস্কৃতির মুক্তি এবং তা বিশ্বদরবারে তুলতে এ দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। তাই তার দলীয় প্রতীকও নৌকা। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা এবং এ দেশের সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ করতে হবে, প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।’
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে দৃষ্টিনন্দন এই নৌকা দুটি তৈরিতে প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। নৌকা দুটি ২৭ ফুট লম্বা এবং পাঁচ ফুট চওড়া।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে নৌকা দুটি লেকের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়ায়। একটির পালে বাংলাদেশের পতাকা, আরেকটিতে বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষের লোগো। এ যেন ইতিহাসের এক উজ্জ্বল উপস্থিতি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে নৌকা দুটি তৈরি করা হয়। এর ডিজাইনও তিনি করেছেন। পরে প্রখ্যাত শিল্পী হাশেম খান চূড়ান্ত ডিজাইন করেন।








