বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৫৮ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেল দিবস পালন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে ঢাকা রেল ভবনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন প্রধান অতিথি হিসেবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রবিবার (১৫ নভেম্বর) আলোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকেরই ইতিহাস জানার প্রয়োজন। ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে না জানলে সামনে আগানো সম্ভব না। দেশে যত প্রতিষ্ঠান আছে তার মধ্যে রেল ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠান। যে অঞ্চলের ওপর দিয়ে রেল চলে গেছে সেখানে রেলকেন্দ্রিক জীবন ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। রেল সামাজিক বিবর্তন এবং অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বিরাট ভূমিকা রেখে চলেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় রেল সেক্টরকে পশ্চিমারা অনেক ক্ষতি করেছিল। স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু ক্ষতিগ্রস্ত রেল পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। রেলের প্রতি বিভিন্ন সরকারের ভুল নীতির কারণে রেল আজ এত পিছিয়ে। প্রধানমন্ত্রী রেলের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করেছেন। তাই আজ রেলখাত এগিয়ে চলেছে। অনেক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায় রেলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।’
প্রসঙ্গত, ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথম চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়া জেলার জগতি পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেললাইন চালু হয়। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান এবং অতিরিক্ত সচিব ভুবনচন্দ্র বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।








