প্রকল্পের মূলর কাজ সাব-কন্ট্রাক্টে না দিয়ে প্রকল্প-বাস্তবায়নকারী মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিজে বাস্তবায়ন করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। রবিবার(১৩ ডিসেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয় ৷
কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেনের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, এ কে এম এনামুল হক শামীম, মো. আফজাল হোসেন, সামশুল হক চৌধুরী, মো. ফরিদুল হক খান এবং সালমা চৌধুরী অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার ‘শাহপরীর দ্বীপের বাঁধ পুনর্নির্মাণ ও প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন’ প্রকল্পের কাজের মান ও অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। ডিপিপিতে বাঁধের সমুদ্রের লবণাক্ততা ও ঢেউয়ের তীব্রতা সহনীয় ব্লকের মান/শক্তিমাত্রা অন্তত ১৪ ও ১৮ নিউটন/বর্গ-মিমি নির্ধারণ করা এবং প্রকল্প-বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে তথা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্প নিজে বাস্তবায়ন করার ও এসব প্রকল্পের মূলকাজ সাব-কন্ট্রাক্টে না-দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে ‘কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পটির সংশ্লিষ্টতায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প (বাপাউবো অংশ)’ এবং ‘কক্সবাজার জেলার বাঁকখালী নদী বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, সেচ ও ড্রেজিং প্রকল্পের কাজের মান ও অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে প্রকল্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রকল্পের টেন্ডারের পূর্বে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় ব্লক নির্মাণে ব্যবহৃত সিমেন্টের সুনির্দিষ্ট মান নির্ধারণ করে দিতে বলা হয়।
বৈঠকে ‘মেঘনা নদীর ভাঙন হতে চাঁদপুর জেলার হরিনা ফেরিঘাট এলাকা এবং চরভৈরবী এলাকার কাটাখাল বাজার রক্ষা’ শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। কমিটি চরভৈরবী এলাকায় বর্ষার পূর্বে ৭ কিলোমিটার সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণের সুপারিশ করে।
বৈঠকে ব্লু-গোল্ড প্রোগ্রাম শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
বৈঠকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।








