আর্থ-সামাজিক কাঠামোর সুযোগ নিয়ে আরও বেশি পরিমাণে বিনিয়োগের জন্য মালয়েশিয়াকে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত সিনিয়র মন্ত্রী মোহাম্মদ আজমিন আলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে সরকার গৃহীত নানা কর্মসূচি বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি সরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়িত সমগ্র বাংলাদেশে ১০০ ইকোনমিক জোন স্থাপনের বিষয়ে মালয়েশিয়ার মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
তিনি মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে ভারত, জাপান, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো মালয়েশিয়াকেও বাংলাদেশে একটি বিশেষ ইকোনমিক জোন স্থাপনের অনুরোধ জানান।
দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরে বাংলাদেশের ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরে মো. গোলাম সারওয়ার মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রীকে এফটিএ নেগোসিয়েশন শুরু করার অনুরোধ করলে মালয়েশীয় মন্ত্রী নেগোসিয়েশন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
মালয়েশিয়ার মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে এক উদীয়মান অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে বলে জানান। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খাস্তগীর ও কাউন্সেলর (কমার্শিয়াল) মো. রাজিবুল আহসান এবং মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে হাইকমিশনার সারওয়ার মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাম্বাসেডর মোহাম্মদ আজহার মাজলিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার সুযোগ সংক্রান্ত চলমান রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম, কোভিডের কারণে বাংলাদেশে আটকে পড়া শ্রমিকদের ফেরত নেওয়া, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মালয়েশিয়ার অব্যাহত সমর্থন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।









