বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) মহাপরিচালকের ‘অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্ত’ করছে বলেছে সংসদীয় কমিটি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি তদন্ত করে আগামী বৈঠকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিএলআরআইয়ের গবেষণা ও ডিজির বিরুদ্ধে কিছু অনিয়ম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে আগামী বৈঠকে প্রতিবেদন দিতে বলেছি।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালকের এখতিয়ারের বাইরে একাধিক গাড়ি ব্যবহার, গবেষণার অর্থ লোপাটনহ নানা অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। জিডির বিরুদ্ধে আর্থিক নানা অনিয়মের খবর গণমাধ্যমে এসেছে উল্লেখ করে বৈঠকে বলা হয়, যেভাবে গবেষণা হওয়ার কথা, তা হয় না। গবেষণার নামে অর্থ নয়-ছয় হয়। মহাপরিচালক প্রাধিকারের বাইরে গিয়ে একাধিক গাড়ি ব্যবহার করেন। বৈঠকে বিএলআইয়ের ডিজি ড. নাথু রাম সরকার উপস্থিত থাকলেও তিনি এ বিষয়ে নীরব ছিলেন।
সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের আওতাধীন বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এলডিডিপি)’ উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন কর্তৃক রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই লেকের ওপর আগামী দুই মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
বৈঠকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকল্পে তদারকি জোরদার করারও সুপারিশ করা হয়।
ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সভাপতিত্বে বৈঠকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, মো. শহিদুল ইসলাম (বকুল), ছোট মনির, নাজমা আকতার, শামীমা আক্তার খানম এবং কানিজ ফাতেমা আহমেদ অংশগ্রহণ করেন।









