বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন নিপীড়িত, বঞ্চিত ও নির্যাতিত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর দর্শন বাস্তবায়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। এরইমধ্যে ৭০ হাজার গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে ঘর প্রদান করা হয়েছে, যা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অনন্য মাইলফলক।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) আয়োজিত জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ‘বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার ভার্চুয়াল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে স্পিকার এসব কথা বলেন।
শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) মো. তারিক মাহমুদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রায় ৫৩ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে বিজয়ী ২০ জন শিক্ষার্থীকে স্পিকারের পক্ষে পুরস্কার তুলে দেন বিভাগীয় কমিশনাররা। স্পিকার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শন ছড়িয়ে দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর দর্শন বাস্তবায়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন। অতি সম্প্রতি আশ্রয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ৯ লাখ গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে ঘর প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে ঘর প্রদান করা হয়েছে, যা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অনন্য মাইলফলক।’
স্পিকার বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দলিল। মানুষের মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষিত রয়েছে আমাদের সংবিধানে। বেঁচে থাকার অধিকার, আইনের আশ্রয় লাভের সমানাধিকার, নারী-পুরুষ সমানাধিকার, শিশুদের অধিকার, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার,রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, কৃষক-শ্রমিকের উন্নয়নসহ সবকিছুই সন্নিবেশিত আছে বাংলাদেশের সংবিধানে। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ দেশে ফিরেই এই সংবিধান প্রণয়নের কাজ শুরু করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বক্তব্য রাখেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি।









