স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে লেজার শো ও ড্রোন শো বাদ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী রাষ্ট্রীয়ভাবে মহাসমারোহে উদযাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপ আবারও বাড়ার কারণে লেজার শো ও ড্রোন শো হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বুধবার (১০ মার্চ) সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বর্ণাঢ্য ও যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ড্রোন শো, এরিয়াল শো ও ফায়ারওয়ার্কস শো সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপিত হলে সেটি বাদ দেওয়া হয়।
সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান তিনি।
জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এজেন্সি সার্ভিস ফি, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ অনুষ্ঠান আয়োজনে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৪৬ কোটি ১০ লাখ টাকা। এরমধ্যে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন সংক্রান্ত বাজেট থেকে ১০ কোটি টাকা দেবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। অবশিষ্ট টাকা স্পন্সরের মাধ্যমে জোগাড় করা হবে বলে সিদ্ধান্ত রয়েছে।
সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে লেজার শো ও ড্রোন শো বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ আবারও বেড়ে যাচ্ছে। এ সময়ে এ ধরনের শো করলে অনেক ছেলেমেয়েসহ পুরো ফ্যামিলি চলে আসবে। এতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হবে না। এই ভয়ে আমরা এই অংশগুলো বাদ দিয়ে বাকি অংশগুলো উদযাপন করার অনুমতি দিয়েছি। আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ঠিক করেছিলাম একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের, যা এ দেশের মানুষ কোনও দিন দেখেনি। এজন্যই ড্রোন শো, লেজার শো’র আয়োজন করার চিন্তা ছিল।’
অর্থমন্ত্রী জানান, সুবর্ণজয়ন্তীতে আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ে যা যা পড়ে, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যা প্রয়োজন, সেভাবেই প্রস্তাবটি অনুমোদন দিয়েছি। সে অনুযায়ী সংশ্লিষ্টরা প্রকল্পটির কাজ এগিয়ে নেবেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ ফেব্রুয়ারি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ণাঢ্য ও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে উদযাপন উপলক্ষে ড্রোন শো, এরিয়াল শো ও ফায়ারওয়ার্কস শো অনুষ্ঠান বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।









