ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, পৃথিবীতে গণহত্যার নির্মমতার ইতিহাসে এযাবৎকালের মধ্যে একাত্তরের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর পৈশাচিকতা ছিল নজিরবিহীন। দিনটি বাঙালির জন্য বেদনা ও স্মৃতিকাতরতার দিন বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনুরূপভাবে গ্রেফতারের আগে বেতার বার্তায় পাঠানো ২৬ মার্চে প্রচারিত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা জাতির হাজার বছরের ইতিহাসের একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন। এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর এদেশীয় কিছু দোসর ছাড়া গোটা জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।’
মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) ঢাকায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত ‘২৫ মার্চের গণহত্যা ও বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন— বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীক।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বঙ্গবন্ধুর ২৩ বছরের সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা বাংলাদেশ পেতাম না। তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে ‘ভিশন:২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।
বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার, বিসিএসসিএল’র চেয়ারম্যান ড. শাজাহান মাহমুদ, ডাক অধিদফতরের মহপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো.সাহাবউদ্দিন প্রমুখ অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ওপর আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।








