গত ২৪ ঘণ্টায় (৩০ জুন সকাল ৮টা থেকে ১ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৪৩ জন। দেশে করোনা মহামারিকালে এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে ২৭ জুন একদিনে ১১৯ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।
দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম তিনজন করোনা আক্রান্ত রোগীর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। তার ঠিক ১০ দিন পর প্রথম রোগীর মৃত্যুর কথা জানানো হয়।
দেশে ৮ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষা, পরীক্ষার হার, রোগী শনাক্ত, শনাক্তের হার, মৃত্যু, মৃত্যুর হার, সুস্থ এবং সুস্থতার হার সম্পর্কিত স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ সময়ের মধ্যে ২০২০ সালের ৩০ মার্চ দেশে সর্বনিম্ন একজন রোগী শনাক্ত হন আর সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্ত হন চলতি বছরের ৩০ জুন অর্থাৎ গতকাল বুধবার। এ দিন সর্বোচ্চ আট হাজার ৮২২ জন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানায় অধিদফতর।
সে হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের সর্বনিম্ন হার ছিল ২০২০ সালের ৩০ মার্চে শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ আর শনাক্তের হার সর্বোচ্চ ছিল সে বছরেরই ৩ আগস্টে। সেদিন দেশে শনাক্তের হার ছিল ৩১ দশমিক ৯১ শতাংশ।
সর্বনিম্ন নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২০২০ সালের ৫ এপ্রিলে, ৩২০টি। আর সর্বোচ্চ নমুনা হয়েছে গতকাল ৩০ জুন ৩৭ হাজার ৮৬টি। সবচেয়ে কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছে গত বছরের ২১ মার্চে, ৩৬টি আর সবচেয়ে বেশি নমুনা পরীক্ষাও হয়েছে গতকাল বুধবার, ৩৫ হাজার ১০৫টি।
দেশে করোনাভাইরাসে সবচেয়ে কম রোগী সুস্থ হয়েছেন গত বছরের ১ এপ্রিলে, একজন। আর সবচেয়ে বেশি রোগী সুস্থ হয়েছেন সে বছরেরই ১৫ জুন, ১৫ হাজার ২৯৭ জন। সুস্থতার হার সবচেয়ে কম ছিল গত বছরের ২ মে; ২ দশমিক ০১ শতাংশ আর রোগী সুস্থতার সর্বোচ্চ হার ৯২ দশমিক ৬৭ শতাংশ, চলতি বছরের ২১ মে-তে।
২০২০ সালের ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর দিন একজন মারা যাওয়ার তথ্য জানায় সরকার, সেটাই ছিল একদিনে সর্বনিম্ন করোনারোগীর মৃত্যুর হিসাব। আর সবচেয়ে বেশি রোগী ১১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৭ জুন (৩০ জুন পর্যন্ত হিসাবে)। আর শনাক্ত বিবেচনায় সর্বনিম্ন মৃত্যুর হার ছিল গত বছরের ৪ জুলাই; ১ দশমিক ২৫ শতাংশ আর সর্বোচ্চ মৃত্যুর হার সে বছরেরই ২৫ মার্চে, ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ।









