বন্যার পানি বাড়তে থাকলে স্থানীয় জনসাধারণকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। এজন্য জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজ করছেন।
বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে এতথ্য জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কোন দুর্যোগের সময়ই আশ্রয়কেন্দ্রগুলো জনসাধারণের বসবাসের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে তা সারাদেশের জন্য নয়। আপাতত যেসব জেলায় নদ-নদীর পানি বেড়েছে এবং বন্যার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে, সেসব জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলো এই মুহূর্তে শতভাগ প্রস্তুত রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়া দেশের ১১ জেলায় প্রাথমিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে। এসব জেলা হচ্ছে- কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও শরীয়তপুর।
তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় ছাড়া অন্য সময় জনগণ সাধারণত আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে চায় না। গবাদি পশু বিশেষ করে গৃহপালিত হাস মুরগিও আনে না। বন্যার পানি বাড়লে নিজ বাড়িতেই সাধারণত তারা উঁচু মাচা করে বসবাস করে। তবে তা সীমা ছাড়িয়ে গেলে আশ্রয়কেন্দ্রে আসে। গবাদিপশুও উঁচু স্থান তৈরি করে সেখানেই রেখে আসেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এই মুহূর্তে গবাদি পশুর খাদ্যে কোনও সংকট তৈরি হয়নি। তাই গবাদি পশুর খাদ্য বাবদ কোনও টাকা এখনও বরাদ্দ করা হয়নি। প্রয়োজন হলে করা হবে বলেও জানান তিনি।
ডা. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ে গঠিত মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি নজরে রাখছে। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ করা হচ্ছে।









