গাজীপুর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ার অভিযোগ করছেন মুসল্লিরা। শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়াম সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ময়লা আবর্জনা ও পানি জমাট বেধে থাকায় মুসল্লিরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। কাদা ও দুর্গন্ধ থাকায় ইজতেমায় আসা মুসল্লিরা মহাসড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে হাঁটতে হচ্ছে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে ওপর দিয়ে। এতে যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। তাছাড়া সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়েছে।
এদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও কামারপাড়া সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে প্রচুর ধুলোবালি থাকায় মুসল্লিরা অনেকেই নাকে-মুখে মাস্ক, রুমাল ও গামছা বেঁধে চলাফেরা করছেন। তারা মনে করেন, সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ ওই সড়কে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করলে মুসল্লিদের এমন ভোগান্তি পোহাতে হতো না। ধুলোবালির কারণে শ্বাস কষ্ট হচ্ছে অনেকের। এতে অনেক মুসল্লি দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল ও ইজতেমায় ফ্রি মেডিক্যািল ক্যাম্পগুলোয়।
জুমার নামাজে অংশ নেওয়া এক মুসল্লি আবদুল কুদ্দুছ জানান, মহাসড়কের দুই পাশের ড্রেন ভাঙাচোড়া থাকায় শিল্প কারখানার দুষিত পানি মহাসড়কের পাশে গড়িয়ে আসে। এতে পানি জমাট বেধে কাদায় পরিণত হয়েছে। এছাড়াও ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে ওইস্থান দিয়ে চলাফেরা করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে সড়কের ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে মুসল্লিদের।
মুসল্লি শরীফ আহমেদ স্বপন জানান, প্রচণ্ড ধুলাবালি থাকায় নাকে-মুখে মাস্ক ব্যবহার করেছি। নিঃশ্বাসের সাথে ধুলোবালি নাকে মুখে ঢুকে পড়ে। এতে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়।
টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. পারভেজ হোসেন জানান, ইজতেমায় অনেক ধুলোবালি ও কুয়াশা পড়ায় বেশিরভাগ ভাগ মুসল্লি শ্বাস কষ্টে ভুগছেন। অন্যান্য রোগীর মধ্যে শ্বাস কষ্টের রোগী হাসপাতালে বেশি ভিড় করছে।
এব্যাপারে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) মো. আসাদুর রহমান কিরণ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে জানান।
/এফএস/








