চলতি বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে মূল পদ্মা সেতুর কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হবে। ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
রবিবার (৩ অক্টোবর) সকালে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে পুনর্বাসন সাইটগুলোর বরাদ্দকৃত প্লটের লিজ দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান। এ সময় মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি উপস্থিত ছিলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, মূল সেতুর নির্মাণকাজের অগ্রগতি শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ, নদী শাসনের অগ্রগতি ৮৫ দশমিক ২৫ ভাগ এবং পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৮৮ ভাগ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার অবদান, পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। এটি এখন আর কোনও স্লোগান নয়, দৃশ্যমান বাস্তবতা।
তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে সাতটি পুনর্বাসন সাইট নির্মাণ করা হয়েছে। এই পুনর্বাসন সাইটের মোট তিন হাজার ১১টি আবাসিক প্লটের মধ্যে এ পর্যন্ত দুই হাজার ৯৬৩টি প্লট বরাদ্দ করা হয়েছে। এরমধ্যে ভূমিহীনদের মাঝে ৮১৪টি প্লট বিনামূল্যে বরাদ্দ করা হয়েছে। মোট ১০০টি বাণিজ্যিক প্লটের মধ্যে এ পর্যন্ত ৮১টি প্লট এবং ১২০টি বাণিজ্যিক স্পেসের মধ্যে এ পর্যন্ত ৭২টি স্পেস বরাদ্দ করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন ৮২৩টি লিজ দলিলের মধ্যে আজ ২০টি দলিল ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে হস্তান্তর করা হলো। পর্যায়ক্রমে সবাই পাবে, কেউ বঞ্চিত হবে না।
সেতু বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীকের সভাপতিত্বে লিজ দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান সমন্বয়ক, ইএসএসটি মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান প্রমুখ।









