দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে বিষদ আলোচনা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। একইসঙ্গে লন্ডন জানিয়েছে, তারা চায় এদেশে থাকা ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে দেখুক বাংলাদেশ। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত অ্যালিসন ব্লেক এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ আছে। মিশরে একটি রুশ বিমানে বোমা বিস্ফোরণের পর যুক্তরাজ্য বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করেছে। আমরা অনেকগুলো দেশের সঙ্গে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা করছি।’
বিমান হামলাকারীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বোমা বিস্ফোরণের জন্য যারা দায়ী, তারা শুধু মিশর নয় পুরো পৃথিবীর জন্য ঝুঁকি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশের সহযোগিতা সন্তোশজনক জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তারা বাংলাদেশে এসেছে ও আসবে। এ বিষয়ে পর্যালোচনা অব্যাহত আছে।’
প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ এভিয়েশনের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের লিয়াজো অফিসার জন লাভসে গত নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ঢাকা বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন। তিনি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য বেশকিছু সুপারিশ করে দুটি রিপোর্ট প্রদান করেন। এরপর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের কাছে একটি টেকসই পরিকল্পনা চায়। বাংলাদেশ সেটি গত সপ্তাহে সরবরাহ করেছে।
সম্প্রতি মিশরের শারম আল শেখে একটি রাশিয়ান বিমান বোমা বিস্ফোরণের কারণে বিধ্বস্ত হওয়ার পরে সারা পৃথিবী জুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে সতর্কতা বাড়ানো হয়।
মিশরের বিমান দুর্ঘটনার পর ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ২০টি দেশের ৩৮ বিমানবন্দরকে তাদের নিরাপত্তা বাড়াতে বলেছে। এদের মধ্যে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর একটি। এই ৩৮টি বিমানবন্দর থেকে লন্ডনে সরাসরি বিমান যোগাযোগ রয়েছে।
/এসএসজেড/এনএস/এসএম/








