X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

সবাই মিলেই জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৬:৪১

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, একটি কুচক্রী মহল বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে দেশের সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করতে চায়। তিনি বলেন, ‘এ দেশে যখন জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস উত্থান হয়েছিল, তখন আমরা সকলে মিলেই জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করেছি।’

রবিবার (২৮ নভেম্বর) ঢাকায় তেজগাঁও চার্চ কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানও বক্তৃতা করেন।

বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিওর সভাপতিত্বে সভায় সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং, অ্যাডভোকেট ঝর্ণা গ্লোরিয়া সরকার এবং বাংলাদেশের কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি’ রোজারিও, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ, দি খ্রিষ্টান কো- অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট পঙ্কজ গিলবার্ট কস্তা উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষের বসবাস এ দেশে। সব ধর্মের মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা সকলে মিলে যুদ্ধ করে এ দেশ স্বাধীন করেছি। এ দেশে যখন জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস উত্থান হয়েছিল, তখন আমরা সবাই মিলেই জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করেছি।’

অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে দেশের সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করতে চায় একটি কুচক্রী মহল।  কোনোভাবেই তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে দেওয়া হবে না।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের অসারতা বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি সব ধর্মের অনুসারীদের জন্য বাসযোগ্য ও নিরাপদ একটি দেশের স্বপ্ন গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতাকে সংযোজন করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘গত ১২ বছরে ট্রাস্টের এনডাওমেন্ট তহবিলের আয় থেকে ৪৭২টি চার্চ, গির্জা, উপাসনালয় নির্মাণ, সংস্কার, মেরামত ও উন্নয়নের জন্য ২ কোটি ৩৯ লাখ ৭৩ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ৫৫টি গির্জা ও সেমিট্রিতে ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। শুভ বড়দিন-২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা ৪০২টি চার্চ, গির্জা, উপাসনালয়ের অনুকূলে অনুদান প্রদান করা হয়েছে।’

/এসআই/এপিএইচ/এমওএফ/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
জোটের শরিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় করলো বিএনপি
জোটের শরিক দলের সঙ্গে মতবিনিময় করলো বিএনপি
নতুন রূপে ক্লেমন ড্রিংক
নতুন রূপে ক্লেমন ড্রিংক
গৌতম চক্রবর্তীর প্রয়াণে বিএনপি অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত: মির্জা ফখরুল
গৌতম চক্রবর্তীর প্রয়াণে বিএনপি অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত: মির্জা ফখরুল
মুশফিক-লিটনের জন্য কষ্ট হচ্ছে মুমিনুলের
মুশফিক-লিটনের জন্য কষ্ট হচ্ছে মুমিনুলের
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
অপরাধীদের কোনও দলীয় পরিচয় নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অপরাধীদের কোনও দলীয় পরিচয় নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পাহাড়ে রক্তপাত-চাঁদাবাজি হতে দেবো না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 
পাহাড়ে রক্তপাত-চাঁদাবাজি হতে দেবো না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত