মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য ৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করেছে আদি ঢাকা সাংস্কৃতিক জোট। এর মধ্য দিয়ে সংগঠনটি সোমবার (২০ ডিসেম্বর) দুই দিনব্যাপী বিজয় উৎসবের সমাপ্তি টানলো।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে দুই দিনব্যাপী বিজয় উৎসবের আয়োজন করে এই সংগঠন।
যারা দেশমাতৃকার জন্য অকাতরে বিলিয়েছে নিজেদের প্রাণ—গানে গানে সেই বীর সেনানীদের স্মরণ করা হয়। বিভিন্ন সংগঠনের দলীয় গান, আবৃত্তি, নৃত্য ও নাটকের পরিবেশনায় জমে ওঠে এ আয়োজন।
শুরুতে বিজয় উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সারোয়ার হোসেন বাবুর সভাপতিত্বে ছিল আলোচনা সভা। অনলাইনে আলোচনায় যুক্ত হন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ।
সম্মাননা পাওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন—বীর মুক্তিযোদ্ধা এ এম শফিউর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জুলহাস মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা রঞ্জন বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা শিবু রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবুল আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ সিদ্দিকী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম সুলতানা আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী সাধন চন্দ্র দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নূরুল হকসহ মোট ৫০ বীর মুক্তিযোদ্ধা
আদি ঢাকা সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মানস ঘোষ বাবুরাম ও সাধারণ সম্পাদক হানিফ খানসহ অতিথিরা সম্মাননা তুলে দেন।
জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন শিল্পী ও ৩৫টি সংগঠনের নেতাদের নাচ, গান, নাটক ও আবৃত্তির জমকালো অনুষ্ঠানে মেতে ছিল পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক।
সভাপতির বক্তব্যে গাজী সারোয়ার হোসেন বাবু বলেন, বাঙালি জাতির জন্য দিনটি গর্বের ও আনন্দের। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে মুক্তিকামী বাঙালি এ বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল।
তিনি বলেন, আজ জাতির কাছে রাষ্ট্রের সকল উন্নয়নের অগ্রগতি দৃশ্যমান। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবে রূপ দিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।









