অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমাদের অর্থনীতি কখনোই নিম্নমুখী হয়নি। এই সময়ে রাজস্ব আহরণ যেখানে দুরূহ ছিল, সেখানে আমাদের রেভিনিউ জেনারেশনও ১৫ শতাংশ বেশি ছিল। রফতানি বাণিজ্য ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
করোনা মহামারিতে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের অর্থনীতি যেখানে কমে গেছে, সেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতি কীভাবে এত উন্নতি করলো, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ সব তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যখন সারা বিশ্বে একদম খারাপ অবস্থা ছিল, সে সময়ও আমরা বেশ ভালো ছিলাম। বিশেষভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে প্রণোদনা ঘোষণায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে গেছে ৩৬ শতাংশ। রেমিট্যান্সটা যদিও আমাদের জিওবি’তে আসে না। কিন্তু মাথাপিছু আয়ে আসে। এগুলো হলো আমাদের অর্থনৈতিক এলাকা। এর কোথাও কিন্তু নেগেটিভ গ্রোথ নাই।’
তিনি বলেন, ‘আমারা তো সব জায়গায় অর্জন দেখতে পাচ্ছি। এখন আপনারা যদি কোনও অর্জন না দেখেন, তাহলে বলতে পারেন— ঋণাত্মক ফিগার আছে।’ অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জিডিপিতে যে প্রবৃদ্ধি এবং আমাদের মাথাপিছু আয়— এগুলো সবকিছু নির্ধারিত হয় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত সিস্টেম অব ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টস ২০০৮ অনুসরণ করে। অন্যান্য দেশও সেটি অনুসরণ করে। আমরা অন্য কোনও সিস্টেম অনুসরণ করি না। আমরা একই সিস্টেম অনুসরণ করছি এবং এটি চলমান আছে।’ সারা বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই এই নীতি অনুসরণ করে, বলে জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট উপস্থাপনের সময় আমি বলেছিলাম, জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি বেশি হবে। সেটিই কিন্তু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে এটা সম্ভব হয়েছে। দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য, তাদের যেন হাতে টাকা থাকে, সংসার চালাতে পারে, সেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেটি যথাযথভাবে কাজ করেছে।’ অন্যরা কেউ এটি করার সাহস পায়নি, এসব কারণেই দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।









