১৮ বছরের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করা সহজ কাজ নয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জন করা। ২০৪০ সাল বেশি দূরে নয়, ১৮ বছরের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করা সহজ কাজ নয়।’
মঙ্গলবার (২২ মার্চ) রাজধানীতে সিরডাপ মিলনায়তনে ‘২০৪০ সালের মধ্যে তামাক মুক্ত বাংলাদেশ এবং অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণ’ বিষয়ে জাতীয় সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় সংসদ সদস্যদের স্বাস্থ্য বিষয়ক ফোরাম ‘বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং’ এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাক্তার মো. হাবিবে মিল্লাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এ সময় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার আ. ফ. ম. রুহুল হক এবং সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি উপস্থিত ছিলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জনসম্মুখে ধুমপানের বিরুদ্ধে আইন করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত সামাজিক প্রচারণা আছে। এ সব কারণে ধুমপায়ীর সংখ্যা কমছে। এরপরও লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন অব্যাহত ক্যাম্পেইন। সব গণমাধ্যমে প্রচার একইসঙ্গে কড়াকড়িভাবে করতে হবে।’
আয়োজক ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত জানান, পার্লামেন্টারি ফোরামের পক্ষ থেকে ১৫৩ জন সংসদ সদস্য মিলে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ই-সিগারেটসহ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের অনুরোধপত্র, আইন সংশোধনের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবর ১৫২ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরিত চিঠি এবং তামাক পণ্যের কর ও মূল্য বৃদ্ধির জন্য অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে অনুষ্ঠানে তামাক আইন সংশোধনের নানা দিক উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘২০১৭-১৮ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারের অর্থনৈতিক ক্ষতি ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা, আর তামাক খাতের রাজস্ব আয় ২২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা।’









