আগের দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন রোগী ও শনাক্তের হার বেড়েছে। তবে দেশে এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই অঙ্কের রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক জেলায়, এক অঙ্কের রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৭ জেলায় এবং নতুন করে কেউ শনাক্ত হননি দেশের ৪৬ জেলায়।
অধিদফতরের তথ্য মতে, দুই অঙ্কের রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগের ঢাকা মহানগরসহ ঢাকা জেলায়, ৭৩ জন। বাকি ৬৩ জেলার মধ্যে এক অঙ্কের রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৭ জেলায় এবং ৪৬ জেলায় নতুন করে আক্রান্ত কেউ শনাক্ত হননি।
দেশে এখন করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক ও স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
তবে এ নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার উপায় নেই জানিয়ে অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক রোবেদ আমিন জানিয়েছেন, করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। দীর্ঘদিন আমাদের এগুলো মেনে চলতে হবে।
এখনি মাস্ক খুলে ফেলার মতো কোনও কিছু হয়নি জানিয়ে অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলেন, ‘আমরা দেখেছি, ইতোমধ্যে অনেকেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা ভাবছেন, এর প্রভাব কমে গিয়েছে। রোগী শনাক্ত ও নমুনা পরীক্ষা কমে গিয়েছে। এর জন্য অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন না বা মাস্ক খুলে ফেলার পেছনে যুক্তি দিচ্ছেন।’
কিন্তু ভাইরাসের মিউটেশন হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাইরাসের এখনও ইভোল্যুশন হচ্ছে। আবারও নতুন করে কোনও ভ্যারিয়েন্ট আসবে কিনা সেই শঙ্কাটা থেকেই যাচ্ছে। ওমিক্রনের যেসব নতুন নতুন উপধরণ বিএ.২ বা অন্য কিছু, তা চলে আসার সম্ভাবনা থাকছে।’
‘আমাদের যেসব রিস্কি গ্রুপগুলো আছে, যেমন: ডায়াবেটিস, হাইপার টেনশন, ক্যানসারের রোগী, যারা স্টেরয়েড পাচ্ছেন; তাদের ক্ষেত্রে ওমিক্রন সিরিয়াস আক্রান্ত করতে পারে,’ বলেন অধ্যাপক রোবেদ আমিন।









