সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মহাসড়ক ফোর লেন করে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা যাবে না। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দরকার সচেতনতা।
দুর্ঘটনা নিরসনে ফোর লেন রাস্তা নির্মাণ বিষয়ে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে মন্ত্রী বলেন, ‘ফোর লেনই সমাধান নয়। চালকরা অনেক সময় বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালান। তারা স্ট্রিয়ারিং ধরেই পথের রাজা হয়ে যান। আইন মানতে চান না। যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে।’
সড়ক পরিবহন আইনের খসড়ায় পরিবারপ্রতি গাড়ির সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী তিনি এই কথা বলেন।
একটি পরিবারে একটির বেশি গাড়ি ব্যবহার করা যাবে না মর্মে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে কি না তা জানতে চান হাজী সেলিম। জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি পরিবারে একটির বেশি গাড়ি ব্যবহার করা যাবে না মর্মে নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়নি। তবে খসড়া সড়ক পরিবহন আইন ২০১৫-তে পরিবার প্রতি গাড়ি সংখ্যার ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।’
নরসিংদী ৩ আসনের সিরাজুল ইসলাম মোল্লার প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের জানান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় ২১ হাজার ৩০২ কিলোমিটার মহাসড়ক রয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় মহাসড়ক তিন হাজার ৮১২ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক চার হাজার ২৪৬ কিলোমিটার ও জেলা মহাসড়ক ১৩ হাজার ২৪২ কিলোমিটার।
মে মাসে ঢাকা চট্টগ্রাম ফোর লেন
তরিকত ফেডারেশনের সংসদ সদস্য নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঢাকা চট্টগ্রাম ফোর লেনের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে। এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ করছে। ১৪টি বাইপাস, ২৩ টি ব্রিজ ও ২৩০টি কালভার্ট নির্মানের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি এ বছর মে মাসের শেষ নাগাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা চট্টগ্রাম ফোর লেন রাস্তার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে পারবেন।’
/ইএইচএস/এফএস/








