নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। সকল বৈরী পরিবেশ উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতু তৈরি করে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলেও জানান সরকার দলীয় এই এমপি।
বুধবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে আনা একটি সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ ও আগামী ২৫ জুন স্বপ্নের এই সেতু উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এই সাধারণ প্রস্তাবটি তোলেন।
প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, আগামী ২৫ জুন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে। যার জন্য আমরা সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করতে যাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একজন সংসদ সদস্য হিসেবে বলতে চাই- প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরি করে সারা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছেন তিনি।
পদ্মা সেতু নির্মাণে নানা জটিলতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নানা চড়াই-উতরাই ও প্রতিকূল পরিবেশ পেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের জন্য একটি বিস্ময়। এটি আমাদের দেশের সব থেকে দীর্ঘতম সেতু। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু। স্থলভাগের সংযোগ ধরলে এর দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটারের বেশি।
তিনি বলেন, পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় পদ্মা নদীতে ৪২টি পিলারের ওপরে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যে র ৪১টি স্প্যান বসিয়ে এই সেতু তৈরি করা হয়েছে। সেতুর সংযোগসহ এর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৭ কিমি.। ১৯৩৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে যে গোল্ডেন গেট ব্রিজ তৈরি করা হয় তার দৈর্ঘ্য ছিল ১ দশমিক ৭ মাইল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই নদীর মাটি ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী এই সেতু তৈরি করে অনবদ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বুধবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে আনা একটি সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ ও আগামী ২৫ জুন স্বপ্নের এই সেতু উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এই সাধারণ প্রস্তাবটি তোলেন।
প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, আগামী ২৫ জুন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে। যার জন্য আমরা সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করতে যাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একজন সংসদ সদস্য হিসেবে বলতে চাই- প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরি করে সারা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছেন তিনি।
পদ্মা সেতু নির্মাণে নানা জটিলতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নানা চড়াই-উতরাই ও প্রতিকূল পরিবেশ পেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের জন্য একটি বিস্ময়। এটি আমাদের দেশের সব থেকে দীর্ঘতম সেতু। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু। স্থলভাগের সংযোগ ধরলে এর দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটারের বেশি।
তিনি বলেন, পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় পদ্মা নদীতে ৪২টি পিলারের ওপরে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যে র ৪১টি স্প্যান বসিয়ে এই সেতু তৈরি করা হয়েছে। সেতুর সংযোগসহ এর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৭ কিমি.। ১৯৩৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে যে গোল্ডেন গেট ব্রিজ তৈরি করা হয় তার দৈর্ঘ্য ছিল ১ দশমিক ৭ মাইল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই নদীর মাটি ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী এই সেতু তৈরি করে অনবদ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
নির্মাণে প্রকৌশল জটিলতার কথা উল্লেখ করে কাজী নাবিল বলেন, এই সেতু নির্মাণে পাইলিং করতে হয়েছে ১২২ মিটার গভীর পর্যন্ত। আমাদের এই বদ্বীপের বাইরে একমাত্র আমাজন নদীতে সেতু তৈরি করা গেলেই কেবল এই রেকর্ড ভঙ্গ করা যাবে। সম্পূর্ণ বৈরী পরিবেশ উপেক্ষা করে পদ্মা সেতু তৈরির মাধ্যমে শেখ হাসিনা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাকে আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা ছিল উল্লেখ করে এই এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরির ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা অনুযায়ী আমরা নিজ পায়ে দাঁড়াতে পেরেছি। বিশ্বের বিস্ময় হিসেবে সারা বিশ্বকে দেখিয়েছি ’আমরা নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু করতে পেরেছি’।
তিনি বলেন, আমরা যারা দক্ষিণবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ, তাদের অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য দেখা দেবে। আমাদের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল, যশোরে অবস্থিত। বর্তমানে গাড়িতে যশোরে যেতে ৬-৭ ঘণ্টা সময় লাগে। এখন আমরা মাত্র তিন ঘণ্টায় ঢাকা থেকে যশোরে যেতে পারবো। এশিয়ান কানেকটিভিটি তৈরিতে পদ্মা সেতু বিরাট ভূমিকা পালন করবে। এই সেতুর ফলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে জিডিপি চক্রাকারে ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পাবে।









