২২ দফা দাবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে মঙ্গলবার ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ (ডিপিডিসি) নারায়ণগঞ্জের অফিসগুলোয় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা (বেলা ১১টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত) গ্রাহক সেবা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হন সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, মঙ্গলবার সকালে শহরের কিল্লারপুলস্থ ডিপিডিসি পূর্ব ও পশ্চিম জোনের কার্যালয়, ফতুল্লা, শীতলক্ষ্যা ও সিদ্ধিরগঞ্জ জোনের কার্যালয় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসে উঠিয়ে ঢাকায় নিয়ে যান ডিপিডিসি শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান।
দুপুর ১২টার দিকে শহরের কিল্লারপুলস্থ ডিপিডিসি পূর্ব ও পশ্চিম জোনের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, ডিপিডিসির পূর্ব জোনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেশীরভাগ কক্ষই তালাবদ্ধ। কয়েকটি কক্ষ খোলা থাকলেও জনশূন্য অবস্থায় ছিল।
ডিপিডিসি শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান মোবাইল ফোনে বলেন, দ্রুত নির্বাচন প্রদান, ইনসেনটিভ বোনাস ও সুনির্দিষ্ট পে স্কেলসহ ২২ দফা দাবিতে মঙ্গলবার আন্দোলনে নেমেছিল ডিপিডিসির কর্মচারীরা। আমরা তো সবসময়ই সেবা দিই। মঙ্গলবার কিছু সময়ের জন্য আমরা আন্দোলনে গিয়েছিলাম।
ডিপিডিসির ১২টি এনওসিএস (জোন) এর দায়িত্বে থাকা প্রধান প্রকৌশলী (সাউথ) একরামুল হক জানান, ডিপিডিসির পূর্ব ও পশ্চিমের দুই নির্বাহী প্রকৌশলী সহ ৩৬জন নির্বাহী প্রকৌশলী প্রশিক্ষণে রয়েছেন। কয়েকজন প্রকৌশলী হয়তো সাইটে গেছে। এছাড়া অনেক কর্মচারী সিবিএ’র আন্দোলনে গেছে। তবে গ্রাহক সেবা বন্ধ রেখে আন্দোলনে যাওয়ার কোন যৌক্তিকতা নেই।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে অফিসের নিয়মানুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঊর্ধ্বতনদেরও বিষয়টি অবহিত করা হবে।
/এইচকে/








