ধর্মঘটের কারণে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কৈলাশটিলা এলপি গ্যাস প্লান্ট থেকে দুইদিন যাবত সারাদেশে এলপি গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সোম ও মঙ্গলবার সিলেটের বিভিন্ন উপজেলায় এ গ্যাসের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়। কিছু কিছু উপজেলায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস।
এলপি গ্যাসের ডিলার জুবায়ের আহমদ চৌধুরী জানান, কৈলাশটিলা এলপি গ্যাস প্লান্টের প্রতিটি সিলিন্ডারে সাড়ে ১২ কেজি গ্যাস সরবরাহ করার কথা। কিন্তু প্রতিটি সিলিন্ডারে সরবরাহ করা হচ্ছে ৮ থেকে ১০ কেজি সিলিন্ডার। এছাড়া গ্যাস ভরার পর সিলিন্ডার ভালভাবে পানির সাহায্যে পরীক্ষা করার বিধান রয়েছে। কিন্তু তাও করা হয় না বলে তিনি জানান। এ নিয়ে গ্রাহকরা চড়াও হন ডিলারদের ওপর।
এ অবস্থায় ওজনে কম দেয়া, সিলিন্ডার রক্ষণাবেক্ষণসহ তিন দফা দাবিতে সোমবার থেকে ডিলার, কন্ট্রাক্টর ও পরিবহন চালকরা সোমবার থেকে ধর্মঘটের ডাক দেন। মঙ্গলবার ধর্মঘট অব্যাহত ছিল।
সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের এলপি গ্যাস প্ল্যান্ট থেকে দৈনিক প্রায় আড়াই হাজার সিলিন্ডার এলপি গ্যাস উৎপাদিত হয়। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও এশিয়াটিক-এর মাধ্যমে এসব সিলিন্ডার ট্রাকযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপনন করা হয়। এসব কোম্পানী কৈলাশটিলা থেকে ৬৭৮ টাকা মূল্যে প্রতিটি সিলিন্ডার ক্রয় করে। আর ডিলার প্রতিটি সিলিন্ডার বিক্রি করে ৭২০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা মূল্যে।
কৈলাশটিলা এলপি গ্যাস প্লান্টের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম ফসিউর রহমান জানান, তারা প্রতিটি খালি সিলিন্ডার পানি দ্বারা নিরাপদ অবস্থায় এবং কোম্পানি গুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সঠিক ওজনের মাধ্যমে সরবরাহ করে থাকেন। ধর্মঘটের কোনও কারণ তার জানা নেই বলে জানান তিনি। বরং ধর্মঘটের কারণে দৈনিক তারা প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
/এইচকে/








