পতিত জমিতে আবাদের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ৩ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করে আধা-সরকারি চিঠি দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। চিঠিতে কৃষিমন্ত্রী চিনিকল, পাটকল, বস্ত্রকল ও রেলের চাষযোগ্য জমি আবাদের জন্য শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ হুমায়ুন, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এবং রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের ব্যক্তিগত উদ্যোগ কামনা করেছেন। মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কৃষিমন্ত্রী চিঠিতে বলেন, বৈশ্বিক প্রতিকূল অবস্থায় সম্ভাব্য খাদ্য সংকট মোকাবিলায় সরকারি মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অব্যবহৃত চাষযোগ্য জমিতে খাদ্যশস্য, শাকসবজি, ডাল ও তেলবীজ চাষের সুযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান, চিনিকল, পাটকল, বস্ত্রকল ও রেলপথের অব্যবহৃত বা পতিত জমিতে আবাদের উদ্যোগ গ্রহণ করলে তা দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। আবাদের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।
চিঠিতে বলা হয়, কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। সে সঙ্গে সার ও জ্বালানিসহ অত্যাবশ্যকীয় উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় খাদ্য সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয়।
এ পরিস্থিতিতে, দেশে খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও কোনও জমি যেন পতিত না থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন।
এ পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয় উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি ফসলের আবাদ এলাকা বৃদ্ধি, বসতবাড়িতে পুষ্টি বাগান স্থাপন ও প্রতিষ্ঠানের পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।









