জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন, মানুষকে কীভাবে ভালোবাসতে হয়, বাবা-মা, ভাইবোন, পাড়া-প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ব কী, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কীভাবে ভালোবাসতে হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই শিক্ষা পেয়েছিলেন পরিবারের কাছ থেকে। তিনি সারা জীবন অসাম্প্রদায়িকতার এই শিক্ষা নিজে লালন করেছেন, আর পরিবারের সব সদস্যকে দিয়ে চর্চা করিয়েছেন। মানুষকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে তার জন্য কিছু করার শিক্ষা তিনি পেয়েছেন পরিবারের কাছ থেকে।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) বিজয়ের ৫২তম দিবস উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট বার অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং প্রধান আলোচক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম ঠান্ডু অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন সম্পর্কে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘জাতির পিতা যখন ছোট ছিলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিনি যখন পড়ালেখা করতেন, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজ-বাহাদুর বা লাট পরিদর্শনে এলে তিনি নির্ভয়ে ছাত্রছাত্রীদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতেন। নেতৃত্বের যে মৌলিক গুণাবলি ছোটবেলা থেকেই তার মাঝে বিদ্যমান ছিল। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার অসাম্প্রদায়িকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি আরও পরিণতি লাভ করেছে।’
আলোচনা সভা শেষে অ্যাডভোকেট গৌরাঙ্গ চন্দ্র করকে সভাপতি এবং অ্যাডভোকেট আবু নাসের স্বপনকে সাধারণ সম্পাদক করে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট সুপ্রিম কোর্ট বার শাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
আলোচনা সভায় বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনসহ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন।









