‘বঙ্গবন্ধু এই জাতিসত্তার মানবিক নেতা। তিনি লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আমাদের শিক্ষিত করে তুলেছেন স্লোগানে স্লোগানে’-এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু।
বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপ-এর এ টি এম শামসুল হক মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘তোমার আলোয় উজ্জ্বল বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এই জাতিসত্তার মানবিক নেতা। তিনি লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আমাদের শিক্ষিত করে তুলেছেন স্লোগানে স্লোগানে। তিনি (বঙ্গবন্ধু) বলেছেন-আমি যা জানি, তা আমার জনগণকে জানাতে হবে, নইলে আমাদের সফলতা আসবে না।’
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘বাঙালির জাতীয়তাবাদ চিন্তাভাবনা বঙ্গবন্ধু তার শিক্ষা জীবন থেকেই শুরু করেছিলেন। এটি সাতচল্লিশের অনেক আগে থেকেই। তিনি হলেন বাঙালি জাতির শিক্ষক।’
শামসুল হক টুকু বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধী শক্তি, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের ঘাতক, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা একই সূত্রে গাঁথা। এরা বঙ্গবন্ধুর অসম্প্রীতির বাংলাদেশ, সুখী-সমৃদ্ধ ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদের বিপক্ষে। অথচ বঙ্গবন্ধু তার জীবদ্দশায় এগুলো রেখে গেছেন যে, বাংলাদেশ কীভাবে আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যাবে।’
ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য স্মার্ট নাগরিক গড়ে তুলতে হবে। আমাদের নিজেদেরও স্মার্ট হতে হবে। ২০৪১ সালের পর আমাদের দেশ ডেলটা প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাবে। আমাদের এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের এবং বিপক্ষের শক্তি কে বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী আগামী নির্বাচনে সকলকে স্মার্ট নাগরিকের দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার সঞ্চালনা করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল। এতে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অতিথিরা। তারা বঙ্গবন্ধুর জীবন, দর্শন ও রাষ্ট্রভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।








