১.
১৯ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাটের আদালতে স্বামীর আদেশে দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও মানহানির মামলা করেন সৈয়দা শিল্পী বেগম। দায়ের করা ওই মামলায় বাদী উল্লেখ করেছেন, স্বামীর নির্দেশে তিনি মামলাটি করেছেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, স্বামী সৈয়দ বেলাল হাসান প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিলের ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন। বেলাল এখন ঢাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
২.
ঠাকুরগাঁওয়ের আদালতে মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মানহানির যে মামলা দায়ের হয়েছে ওই নথিপত্রই হুবহু কপি করে কেবল বাদীর নাম ও পরিচয় কেটে পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে পঞ্চগড়ের আদালতে।পঞ্চগড়ে করা মামলার আবেদনের কপিতে দেখা গেছে, আবেদনের (আরজি) বাদীর অংশে ঠাকুরগাঁওয়ের বাদীর পরিচয় ‘ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক’ লেখা। সেটি কলম দিয়ে এক টানে কেটে দিয়ে এর ওপরে ওভার রাইট করে ‘ দেবীগঞ্জ থানার আইন-বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক’ কথাটি লেখা হয় এবং ওপরে পরিবর্তন করা হয় বাদীর নাম।ঠাকুরগাঁওয়ে দায়ের করা মানহানির মামলার বাদী হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মুহম্মদ সাদেক কুরাইশী। আর পঞ্চগড়ে মামলা দায়ের করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেবীগঞ্জের একাধিক রাজনীতিবিদ জানান, সম্প্রতি দেবীগঞ্জকে পৌরসভা ঘোষণা করায় এ পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি পেতেই নজরুল এ মামলা করেছেন। তবে এ বিষয়ে নজরুল ইসলামের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
৩.
নেত্রকোনায় মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও মানহানির মামলা দায়ের করেছেন জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জি এম খান বর্তমানে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালনকারী এ প্রভাবশালী নেতার বাবা গোলাম মুহাম্মদ ওরফে গোলাম আলী ছিলেন নেত্রকোনার কালিয়ারা গাবরাগাতি ইউনিয়নে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে এমন তথ্য।
স্থানীয় আইনজীবীরা জানান, এ ডাকসাঁইটে বিরুদ্ধে আপন শ্বশুর রং মিয়াকে খুন করার অভিযোগ প্রমাণিত হয় নব্বুইয়ের দশকে। সে মামলায় ১৮ বছরের সাজা হয়েছিল তার। তবে ৫ বছর সাজা ভোগ করার পর সাধারণ ক্ষমার আওতায় দণ্ড মওকুফ হয় তার। এরচেয়েও বড় বিষয়, সাজাপ্রাপ্ত কোনও আসামির সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার ৫ বছর অতিবাহিত না হলে কোনওভাবেই বার কাউন্সিলের সনদ গ্রহণের অনুমতি নেই, কিন্তু, তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি থাকা অবস্থায় বার কাউন্সিল থেকে সনদ লাভ করেন। এখন তিনিই নেত্রকোনার পিপি। তিনি যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আরিফ খান জয়ের মামা।
এই আইনজীবীর বিরুদ্ধে জেলা জজের কক্ষে লাথি মারার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
৪.
কুমিল্লায় দায়ের করা মানহানির মামলা চারটির এজাহার ও বিবরণ হুবহু এক, কেবল বাদীর নাম-পরিচয় ও মানহানির অংকের পরিমাণ ভিন্ন। কয়েকদিনের ব্যবধানে মামলা চারটি করেন মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আল আমিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব অপি, দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম নয়ন ও কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক যাদব চন্দ্র রায়। এর মধ্যে মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করে তার ছয় মাসের শাস্তিও দাবি করেন মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আল আমিন। এই আল-আমিনের বিরুদ্ধে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে খুনসহ কয়েকটি মামলা।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের সরবরাহ করা সংবাদ যাচাই না করেই ছাপার কথা স্বীকার করায় দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে এ পর্যন্ত দায়ের হয়েছে ৭৭টি মামলা। দলীয় নেত্রীর প্রতি আনুগত্য মূলক এ মামলাগুলোর সবই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের দায়ের করা।
কিন্তু এদের ভেতরেই ওপরে দেওয়া উদাহরণের ব্যক্তিরাও যুক্ত হওয়ায় কিছু কিছু মামলার বাদীকে নিয়েই দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। বাংলা ট্রিবিউনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এদের অনেকেই স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন মামলার চিহ্নিত আসামি। এসব বাদীর কারও কারও বিরুদ্ধে চোরাচালান, যৌন হয়রানি, এলাকায় ক্যাডার বাহিনী গড়ে প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও স্পর্শকাতর ইস্যুতে মামলা করে নেত্রীর সুদৃষ্টি পাওয়ার আশাতেও আছেন কয়েকটি জেলার দল সংশ্লিষ্ট কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি। দলের নেত্রীর প্রতি আনুগত্য দেখানোর সুযোগ নিয়ে আসলে তারা নিজেদের প্রভাব এবং স্বার্থকে আরও পোক্ত করার পরিকল্পনা এঁটেছেন। মামলার বাদীদের সাংগঠনিক পরিচয় ভিন্ন হলেও অধিকাংশই সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার-দেশজুড়ে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে এমন তথ্যও।
মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করা ব্যক্তিদের কারও কারও বিরুদ্ধে আবার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। যশোরে দায়ের করা এ সংক্রান্ত মামলার বাদী ও যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে চোরাচালানের অভিযোগ রয়েছে, খাগড়াছড়ির মামলার বাদী ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি টেকো চাকমার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে, লক্ষ্মীপুরে দায়ের করা মামলার বাদী ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে ১টি মামলা রয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মামলার বাদী এজাবুল হক বুলি আগে পৌর যুবদল সভাপতি ছিলেন, ২০০৭ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তার বিরুদ্ধে ৩টি মামলা ছিল তবে এগুলো নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।এছাড়াও নড়াইলে দায়ের করা মামলার বাদী ও জেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি স ম ওহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে খুনসহ একাধিক মামলা ছিল। অন্যদিকে পটুয়াখালীতে দায়ের হওয়া মামলার বাদী ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার বসুর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনসহ নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে টেন্ডারবাজির অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মামলা দায়েরের প্রবণতা দেখে বোঝা যায়, মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে দায়ের করা বেশিরভাগ মামলাই প্রথম মামলাগুলো দ্বারা প্রভাবিত এবং পরষ্পর সঙ্গতিপূর্ণ।
মামলা দায়েরকারীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলোর মধ্যে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ, আমরা মুজিব সেনা ইত্যাদি সংগঠনসহ বিভিন্ন জেলার দল সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরাও রয়েছেন।
মামলা দায়েরকারীদের মধ্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক, বর্তমান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়রও আছেন কয়েকজন। যেমন: চট্টগ্রামে মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন উত্তর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আল মামুন। তিনি একই সঙ্গে সীতাকুণ্ড উপজেলার চেয়ারম্যান।
আইনজীবী পরিচয়ে যারা মামলা করেছেন তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আইনজীবী যেমন আছেন, তেমনি দলীয় বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি কৌঁসুলিও আছেন কয়েকজন। যেমন ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে নালিশি আবেদনটি করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মোস্তাফিজুর রহমান।রাজশাহীতে রাষ্ট্রদ্রোহ ও মানহানির মামলা দায়ের করেছেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম। তিনি একইসঙ্গে মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগেরও সভাপতি। পঞ্চগড়ে মামলা করেছেন আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মহসিন মিয়া।ঝালকাঠিতে ৫ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য বনি আমিন।
কক্সবাজারে দায়ের হওয়া মানহানি সংক্রান্ত দ্বিতীয় মামলাটির বাদী মহেশখালীর সাবেক পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা সরওয়ার আজম বিএ। ২৩ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে মাহ্ফুজ আনামের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলাটি করেন জেলা আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম।
মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে ২১টি রাষ্ট্রদ্রোহের ও ২১টি রাষ্ট্রদ্রোহের ও ৫৬টি মানহানিসংক্রান্ত। মানহানির মামলাগুলোতে মাহফুজ আনামের কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। এসব মামলায় এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে সমন ও কোথাও কোথাও গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।
এক নজরে মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো:
মোট দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা: ৭৭টি
রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা: ২১টি
মানহানিসংক্রান্ত মামলা: ৫৬টি
মানহানির মামলাগুলোতে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে: এক লাখ ৩২ হাজার ৫০০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা: ২৫টি
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা: ৩১টি
যুবলীগের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা: ২টি
শ্রমিকলীগের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা: ১টি
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলা: ২টি
মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলা: ১টি
আমরা মুজিব সেনার নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলা: ১টি
তরুণ লীগের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলা: ১টি
বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলা: ২টি
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের নেতা-কর্মীদের দায়েরকৃত মামলা: ১টি
আইনজীবীদের দায়েরকৃত মামলা: ১০টি
গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে মাহফুজ আনাম বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের দেওয়া সংবাদ ছাপানোর কথা স্বীকার করেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ডিজিএফআই-এর পাঠানো সংবাদটি যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশ করা ছিল বিরাট ভুল।’ সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’ হয়ে উঠে। গণমাধ্যমগুলোতে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ওই টক শোর ভিডিও ক্লিপসহ এসংক্রান্ত সংবাদগুলো ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়ে যায়। দেশে-বিদেশে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে সংবাদ মাধ্যমগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে কারণ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই-এর সরবরাহ করা ওই প্রেসনোট একইসময়ে বেশিরভাগ সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছিল।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ৯ ফেব্রুয়ারি মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে প্রথম দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ ফেব্রুয়ারি ৩টি, ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৩টি, ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৭টি, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২১টি, ১৮ ফেব্রুয়ারি ৬টি, ২২ ফেব্রুয়ারি আরও ২টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে সমন ও কোথাও কোথাও গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।
/টিএন/








