ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ৬৪৭টিতে সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন ৩০ হাজার ১৭৬ জন। এর মধ্যে সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থী ৬ হাজার ৭৯৯ জন ও সাধারণ সদস্য প্রার্থী ২৩ হাজার ৩৭৭ জন। এই ধাপে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন ৩ হাজার ১১১ জন। চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে সব মিলিয়ে প্রার্থীর সংখ্যা ৩৩ হাজার ২৮৭ জন। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ হিসাবে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে কোনও প্রার্থী নেই বিএনপির। আর ১৩ ইউপিতে একমাত্র আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ভোট ছাড়াই এসব স্থানে সরকারদলীয় প্রার্থীরা জয়ী হতে যাচ্ছেন। প্রার্থীতা যাচাই বাছাই ও প্রত্যাহার শেষে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এছাড়া চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ ১৫টি রাজনৈতিক দল এক হাজার ৫৫৮ জন প্রার্থী দিয়েছে। স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন ১ হাজার ৫৫৩ জন, যাদের বড় অংশ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিদ্রোহী হয়ে লড়ছেন।
চেয়ারম্যান পদে ব্যালট ছাপানো শুরু
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার থেকেই প্রথম ধাপের ব্যালট পেপার ছাপানো শুরু হয়েছে। দলীয়ভিত্তিতে অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর নাম ও প্রতীক একসঙ্গে উল্লেখ থাকার কারণে প্রতিটি ইউপিতে আলাদা ব্যালট পেপার ছাপাতে হচ্ছে। কমিশন সূত্র জানা গেছে, এক সপ্তাহের মধ্যে তারা ব্যালট ছাপিয়ে স্ব স্ব এলাকায় পাঠিয়ে দেবেন।
আগামী ২২ মার্চ চার হাজার ২৭৯টি ইউপির মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৭৩৪টিতে নির্বাচন হবে। তবে, এর মধ্যে ৬০টির মতো ইউপিতে একক প্রার্থী থাকায় সেখানে চেয়ারম্যান পদের ব্যালট ছাপানোর প্রয়োজন পড়বে না।
/ইএইচএস/এএইচ/








