বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য এশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েছে এবং এ মহাদেশের কৌশলগত ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে কৌশলগত দিক থেকে দেখা উচিৎ বলে মনে করেন পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক।
শনিবার বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ ডায়ালগের সপ্তম রাউন্ডের অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
সচিব বলেন, চারটি ক্ষেত্রে উভয় দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করা উচিৎ এবং সেগুলি হচ্ছে অভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনা, কানেক্টিভিটি, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ ও জ্বালানি সহযোগিতা।
অভিন্ন নদীর পানি ভাগাভাগিসহ সামগ্রিক নদী ব্যবস্থাপনার উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত জরুরি।
বিবিআইএন এর মাধ্যমে আঞ্চলিক কানেক্টিভিটির নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এর ফলে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
সন্ত্রাসবাদকে দুই দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার উপর একটি বড় আঘাত হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে।
এছাড়া জ্বালানি সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা বাড়াতে হবে বলে তিনি মনে করেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব শ্রীপ্রিয়া রানানাথন বলেন, ভারতের বিছিন্নতাবাদীদের ধরা এবং তাদের ফেরত পাঠানোর জন্য তার সরকার বাংলাদেশের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।
তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি যারা ভারতে পালিয়ে আছে বলে ধারনা করা হয় তাদের খুঁজে বের করার জন্য উভয় দেশের বিভিন্ন এজেন্সি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, এটি এখনও চলছে এবং এটি অগ্রহণযোগ্য।এর সমাধান করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে ভারতের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হবে এবং এর বিপরীতটাও সত্যি।
বাংলাদেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির উপর ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর শান্তি ও সমৃদ্ধি নির্ভর করে বলেও তিনি মনে করেন।
এসএসজেড/এমএসএম








