মানবতাবিরোধী অপরাধী মীর কাসেম আলীর রায় যে কোনও সময় হতে পারে বলে জানা গেছে। মীর কাসেমের রায় কার্যতালিকায় না থাকাটা ভুল বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য নির্ধারিত দিন ঘোষণার পর থেকে মামলা সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সমালোচনা করায় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা কি বোঝাতে চেয়েছেন সেটা নিয়ে চলছে আলাপ আলোচনা। সর্বশেষ গত শনিবার প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে নতুন বেঞ্চ গঠন করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মানবতাবিরোধী অপরাধী মীর কাসেম আলীর আপিলের পুনঃশুনানি দাবিও করেছেন সরকারের একাধিক মন্ত্রী।
২০১৪ সালের ২ নভেম্বর মীর কাসেম আলীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এ রায়ের বিরুদ্ধে ওই একই বছরের ৩০ নভেম্বর আপিল করেন মীর কাসেম আলী। দেড়শ’ পৃষ্ঠার মূল আপিলসহ ১ হাজার ৭৫০ পৃষ্ঠার আবেদনে ১৬৮টি কারণ দেখিয়ে ফাঁসির আদেশ বাতিল করে খালাস চেয়েছেন তিনি।
৮ জনকে নির্যাতনের পর হত্যা ও মরদেহ গুম এবং ২৪ জনকে অপহরণের পর চট্টগ্রামের বিভিন্ন নির্যাতন কেন্দ্রে আটকে রেখে নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী ১৪টি অভিযোগে অভিযুক্ত হন মুক্তিযুদ্ধকালে জামায়াতের কিলিং স্কোয়াড আলবদর বাহিনীর তৃতীয় শীর্ষ নেতা এবং সেই সময়ের ইসলামী ছাত্র সংঘের সাধারণ সম্পাদক মীর কাসেম আলী। এ ১৪ অভিযোগের মধ্যে ১০টি প্রমাণিত হয়। বাকি ৪টি অভিযোগ প্রসিকিউশন সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারেনি।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে মীর কাসেমের আপিল মামলাটির শুনানি শুরু হয়। আপিল বিভাগের এক নম্বর বিচারকক্ষে ৭ কার্যদিবসে এ মামলার শুনানি ২৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়।
/ইউআই/এসটি/








