জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতালে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো। পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বহাল রাখার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী বুধবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ মোহসিন রেজা জানান, হরতালে নাশকতা এড়াতে ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীতে ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বিজিবি মাঠে থাকবে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ শাখার উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরকার জানান, যে কোনও নাশকতা এড়াতে পুলিশ সব সময় প্রস্তুত থাকে। হরতালকে কেন্দ্র করে যাতে কেউ কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সেজন্য পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ। রাজধানীজুড়ে পুলিশের টহল জোরদার করা হবে। নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ রাজধানীর বিভিন্নস্থানে দায়িত্ব পালন করবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করবে পুলিশ।
র্যাবও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে। র্যাবও বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাবে বলে জানান র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘হরতালে যাতে কেউ কোনও নাশকতা চালাতে না পারে সেজন্য র্যাবের টহল ও কঠোর নজরদারি থাকবে।’
/জেইউ/এজে/








