বি
দেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া পুরোপুরি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। শনিবার দেশটির মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আহমাদ জাহিদ হামিদি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। যদিও এ বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে এসে ১৫ লাখ কর্মী নিতে সমঝোতা স্মারকে সই করেছিলেন দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রায়ত জায়েম। দেশটির এ সিদ্ধান্তের ফলে আটকে গেল বাংলাদেশের প্রায় ১৫ লাখ শ্রমিক নেওয়ার চুক্তির ভবিষ্যত।
জানা গেছে, বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির গুরুত্বপূর্ণ বাজার মালয়েশিয়া। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশায় কাজ করছেন। এ বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচটি খাতে কাজের জন্য বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ কর্মী নিতে সমঝোতা স্মারকে সই করেছিল মালয়েশিয়া। দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রায়ত জায়েম এবং বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি প্রবাসী কল্যাণ ভবনে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন। সেই চুক্তি আওতায় সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে পাঁচ বছরমেয়াদি এই সমঝোতার আওতায় মালয়েশিয়ায় যেতে মাথাপিছু খরচ হবে ৩৪ থেকে ৩৭ হাজার টাকা, যা নিয়োগকর্তারাই বহন করবেন।
শনিবার মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আহমাদ জাহিদ হামিদি জানান, মন্ত্রিসভা নতুন বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে দেশের যেসব প্রতিষ্ঠানে অনুমতিপত্র ছাড়া বিদেশি শ্রমিক কাজ করছেন অথবা যাদের অনুমতিপত্রের মেয়াদ পার হয়ে গেছে, তাদের বৈধতার জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে আবেদন জানাতে হবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে চাকরিদাতাদের বিদেশি শ্রমিকদের বৈধতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এর আগে এই সময়সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে তা বাড়ানো হয়।
/সিএ/এমএন এইচ/








