রাজধানীর গুলশান থেকে ৫ মার্চ উদ্ধারকৃত রক্তাক্ত লাশটি আদিবাসী তরুণীর নয়। যদিও তরুণীর মুখাবয়ব দেখে পুলিশ তাকে আদিবাসী বলে ধারণা করেছিল বলে এর আগে জানায়। ঘটনার ১২ দিন পর নিহত তরুণীর আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র বের করে অবশেষে প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। নিহত তরুণীর নাম কাজলী(২৪)।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিহত তরুণীর ভাই ওবায়দুল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে এসে লাশটি শনাক্ত করার পর বুঝে নিয়েছেন। গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাহউদ্দিন মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নিহতের নাম কাজলী (২৪)। তার বাবার নাম মৃত সখীম উদ্দিন। রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার সন্তোষপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। কাজলী রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার চরকঘাট এলাকার একটি বাসায় সাবলেটে ভাড়া থাকতেন যেখানে নিজেকে হসপাতালের চাকুরে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। তদন্তের স্বার্থে এর বেশী বলা যাবে না।’
এর আগে ৫ মার্চ সকাল ৯টার দিকে গুলশান-২ এর ১২ নম্বর রোড থেকে রক্তাক্ত ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে গুলশান থানা পুলিশ। ১৪ মার্চ এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা নম্বর ৯। মামলাটি তদন্ত করছেন পরিদর্শক সালাহউদ্দিন।








