ধানমণ্ডি লেকে ডেকে নিয়ে মোহাম্মদ নুরুল্লাহকে মারধর করে সেই ভিডিও অনলাইনে ছেড়ে দেওয়া জুনায়েদকে চারদিনেও খুঁজে পায়নি পুলিশ। এদিকে অনলাইনে তাকে মাদকাসক্ত দাবি করে তার বিচার না করার পক্ষে শুরু হয়েছে প্রচারণা।

দশ মিনিটের পুরো ভিডিওতেই দেখা যায় একজন আরেকজনকে মারছে, গালি দিচ্ছে, নানা অভিযোগ করছে। আর যে মার খাচ্ছে সে শুধু বোঝাতে চাইছে যে সে এমন কিছু করেনি, কোনও ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। পরবর্তীতে জুনায়েদের বিরুদ্ধে নুরুল্লাহ আইসিটি আইনে ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেছে বলে জানিয়েছে ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আযম মিয়া।
এদিকে চারদিনেও জুনায়েদের বাসা খুঁজে পেলেও সেখানে একাধিকবার গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি। জুনায়েদ সপরিবারে গেন্ডারিয়া ডিস্টিলারি রোডে থাকতো। সূত্র জানায়, মোবাইল কোম্পানি ও জুনায়েদের পরিচিত একজনের কাছ থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে সেখানে হানা দিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে নুরুল্লাহকে আইনি সহায়তা দিচ্ছে ‘জাস্টিস ফর উইমেন’ নামে একটি সংগঠন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির আইটি বিভাগের দায়িত্বে থাকা মাহবুবুর রহমান।
এদিকে, ফেসবুকে জুনায়েদের বন্ধু পরিচয় দিয়ে বলা হচ্ছে, জুনায়েদ মাদকাসক্ত ছিল। সে অনেক এলোমেলো আচরণ করে থাকতে পারে। জুনায়েদ বাচ্চাদের মতো, অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে। ম্যাচিউর হয়নি, কোনও ম্যাচিউর মানুষ এভাবে মারামারি করতে পারে না। এখন বিচারের আগে তার চিকিৎসা দরকার। এমনকি তার মাদক নেওয়ার ছবি ও ভিডিও দিয়ে তারা নানাভাবে সহানুভূতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তবে ঢাকা শো অফ নামে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে কারা এই কাজটি করছে সেটাও খুঁজে দেখা হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।








