নদীদূষণের অন্যতম কারণ হলো শিল্পবর্জ্য। ঢাকার নদীদূষণের জন্য শিল্পবর্জ্য ৬০ ভাগ দায়ী, এর মধ্যে ট্যানারির রয়েছে বর্জ্য ৪০ ভাগ। হাজারীবাগের ট্যানারির বর্জ্য যাতে নদীদূষণ করতে না পারে, সেজন্য এখানকার ট্যানারি মালিকদেরকে সাভারের শিল্প নগরীতে দ্রুত চলে যেতে হবে। তাই চলতি মার্চের শেষে আগামি এপ্রিলের প্রথমদিন থেকেই হাজারীবাগের ট্যানারিতে কোনও কাঁচা চামড়া প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। নদীদূষণে ট্যানারি বর্জ্যের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি হাওয়ায় সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
সচিবালয়ে রবিবার বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীর দূষণরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ-সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, নৌ-বাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায় উপস্থিত ছিলেন।
শাজাহান খান বলেন, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীর দূষণরোধে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম গ্রহণ করা হবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরের কাজের মধ্যে সমন্বয় আনতেও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় মূল ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান তিনি।
নৌবাহিনী নদীর দখল ও দূষণরোধের বিষয়ে আগামি এক মাসের মধ্যে একটি ধারণাপত্র (কনসেপ্ট পেপার) তৈরি করবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলেও জানান নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।
/এসআআই/এপিএইচ/








