বাংলাদেশের সঙ্গে মিশরের কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের হলেও ঢাকা-কায়রো সরাসরি ফ্লাইট এখনও শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে এ বিষয়ে আলোচনার পর শিগগিরই তা চালু হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরের রাষ্ট্রদূত মাহমুদ ইজ্জাত।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি সরাসরি ফ্লাইট চালুর জন্য। আশা করছি কয়েক মাসের মধ্যে এটি চালু হবে। বাংলাদেশে আমার দায়িত্ব শিগগিরই শেষ হবে। সরাসরি প্রথম ফ্লাইটেই আমি মিশরে ফিরতে চাই।’
২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করছেন ইজ্জাত। রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশই তার শেষ কর্মস্থল। এরপরে আইন পেশায় নিজেকে যুক্ত করার ইচ্ছা আছে তার। তিনি বর্তমানে আইনের ওপর পিএইচডি করছেন।
ইজ্জাত বলেন, ‘দায়িত্ব শেষ করার আগে আমি চেষ্টা করছি দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের। এবারের বৈঠকটি ঢাকায় হবে এবং সেজন্য আগামী মে মাসে মিশর থেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট মিনিস্টার ফর এশিয়ান অ্যাফেয়ার্সের বাংলাদেশে আসার কথা আছে। এ বৈঠকের একটি অন্যতম লক্ষ্য থাকবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি করা। আমাদের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও গভীর করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট।’
তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং এ সংক্রান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের কায়রো সফরের কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘মিশরে স্মার্ট ভিলেজ নামে একটি প্রকল্প ২০০৪ সাল থেকে সফলতার সঙ্গে চলছে, যার মাধ্যমে ডিজিটাল সুবিধাদি গ্রামাঞ্চলের লোকজন ভোগ করে থাকে। বাংলাদেশেও এ ধরনের ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব।’
তিনি বলেন, ‘মিশরের বিখ্যাত আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকায় একটি শাখা খুলতে চায়। এ বিষয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিবরা আলোচনা করবেন।’
মিশরে বর্তমানে প্রায় ১০০ বাংলাদেশি পড়াশোনা করেন এবং প্রতি বছর কায়রো ১২টি স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। এ শিক্ষার্থীরা কায়রো, আলেকজান্দ্রিয়া ও আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন বলে তিনি জানান।
/এজে/








