
শুধু বিভাগীয় অনাপত্তিপত্র দিয়েই নয়, অফিসিয়াল পাসপোর্ট তৈরিতে এখন থেকে সরকারি আদেশ (জিও) জমা দিতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ২৪ মার্চ ‘অফিশিয়াল পাসপোর্ট’ তৈরি সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপনে একথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, অনাপত্তি ও সরকারি আদেশ যাচাই-বাছাই করতে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের একজন করে ফোকাল পারসন থাকবেন। জারিকৃত সরকারি আদেশ ও অনাপত্তি ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে তা প্রদর্শন করতে হবে।
রবিবার পাসপোর্ট ও বহিগমন অধিদফতরের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এমডি মাসুদ রেজওয়ান রাজধানীর আগারগাঁওয়ের সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
মহাপরিচালক বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও গবেষণা কোষ হতে প্রকাশিত মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর, পরিদফতর, অধস্তন অফিস, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নাম রয়েছে সেসব জায়গায় কর্মরতদের বাইরে কাউকে অফিশিয়াল পাসপোর্ট দেওয়া হবে না। সরকারিকাজ, চিকিৎসা, হজ পালন, তীর্থস্থান ভ্রমণের জন্য সরকারি আদেশে অফিশিয়াল পাসপোর্ট দেওয়া হবে। অন্য ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত অনাপত্তি সনদের ভিত্তিতে ফি প্রদান সাপেক্ষে সাধারণ পাসপোর্ট নিতে হবে।
মহাপরিচালক বলেন, অফিশিয়াল পাসপোর্টের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। এই সময়ের আগে যদি আবেদনকারী সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী অবসরে যান অথবা কোনও কারণে চাকরিরত না থাকেন সে ক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের তারিখ বা চাকরি থেকে প্রস্থানের তারিখ বা পাসপোর্ট ইস্যুর পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত মেয়াদ থাকবে।
তিনি বলেন, বিদেশে বাংলাদেশিরা যাতে দ্রুততম সময়ে পাসপোর্ট পান তার জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার নির্বাচন করা হবে। খবর বাসস।
/এসটি/








