কৃষক-ফ্যামিলি কার্ডে মূল্যস্ফীতি হবে কিনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:১১আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:১১

কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কারণে দেশে কোনও ধরনের মূল্যস্ফীতি হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার মতে, এসব কার্ডের জন্য দেশের অর্থনীতি আরও সচল হবে। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য আকতার হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ষষ্ঠ দিনের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংসদ সদস্য আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন, যে কতজন মানুষের কাছে আমরা কার্ড পৌঁছে দেবো এবং মূল্যস্ফীতি হবে কি না, বাজেট কতো? স্বাভাবিকভাবে বাজেট কতো, এটি আমরা আপনাদেরকে এখনই বলছি না। আমরা পর্যায়ক্রমে জিনিসগুলোকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবো।”

তিনি বলেন, “কৃষক কার্ড যারা পাবেন সে সকল কৃষক বছরে আড়াই হাজার করে টাকা পাবেন। ফ্যামিলি কার্ড যারা পাবেন সে সকল নারী প্রতি মাসে আড়াই হাজার করে পাবেন। আমরা যেহেতু প্রতি মাসে এটিকে এক্সটেন্ড করতে থাকবো, তাই এই দুই কার্ড একবারে সবাইকে দিচ্ছি না। পৃথিবীর কোনও দেশের পক্ষে একবারে করা সম্ভব নয়। সে জন্য প্রতিবছরই আমরা বাজেটে টাকা বরাদ্দ করবো। এভাবে পর্যায়ক্রমে আমরা এগুবো। আপনি যেটা বলেছেন মূল্যস্ফীতি হবে কি না, আমরা তো টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না। আমরা যেহেতু টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না কাজেই মূল্যস্ফীতি হবে না। বরং, আমরা মনে করি, এই টাকাগুলো যখন মার্কেটে যাবে, যারা টাকা পাবেন তারা নিশ্চয়ই সিঙ্গাপুর বা বিভিন্ন দেশে পাচার করবে না। সেই টাকা লোকাল অর্থনীতিতে তারা খরচ করবেন।”

তারেক রহমান বলেন, “একজন নারী স্বাভাবিকভাবে কার্ডের টাকা তার সন্তানের লেখাপড়ার পেছনে খরচ করবেন। অথবা, সেটি তার সন্তান বা পরিবারকে একটু ভালো খাবারের জন্য ব্যয় করবেন। অথবা, তিনি লোকালি কোনও ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন। ফলে যেটা হচ্ছে, টাকাটা লোকাল ইকোনমিকে শক্তিশালী করছেন। লোকাল ইকোনোমিতে সেটি রোটেট হচ্ছে।”

কর্মসংস্থান কীভাবে বাড়বে তার উদাহরণ দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, “একজন নারী যখন কার্ডের টাকা পাবেন, উনি যদি একটি মুদি দোকানে গিয়ে সদাই করেন, এরকম উনার আশেপাশে যারা সেটি পাবেন তারাও সকলে যখন ওই মুদি দোকানে যাবেন স্বাভাবিক সেই দোকানের সেল বাড়বে। সেই দোকানে এখন যদি একজন কর্মচারী থাকে, এক বা দুই কিংবা তিন মাস পরে সেই মুদির দোকান মালিক দেখবে তার একজন কর্মচারীতে হচ্ছে না, তখন সে আরেকজন কর্মচারী নিয়োগ করবে। ফলে কি দাঁড়াচ্ছে? কর্মসংস্থান হচ্ছে। সেই দু’জন কর্মচারী যখন বেতন পাবে তারাও গিয়ে গামছা কিনবে লুঙ্গি কিনবে অথবা তার সন্তানের জন্য চিপস কিনবে অথবা একটা ছোট্ট ফ্রক কিনবে। ফলে লোকাল ইকোনোমি আস্তে আস্তে শক্তিশালী ও বড় হবে। কাজেই মূল্যস্ফীতি হবে বলে আমরা মনে করি না।”

/এসএমএ/এবিএম/
সম্পর্কিত
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে সহযোগীদের সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
সর্বশেষ খবর
শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ
শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ
সেই কুমির ফেরত চান মাজারের খাদেম যুবদল নেতা
সেই কুমির ফেরত চান মাজারের খাদেম যুবদল নেতা
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী