ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট দেখা দেয়। সেই একই সমস্যা দেখা দিয়েছে আজও (রবিবার)। সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যার জেরে রবিবার (৫ এপ্রিল) ৪০ মিনিটের জন্য মুলতবি করা হয় সংসদ। কেন বারবার সাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা হচ্ছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
তার মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে ক্ষিপ্ত জনতা জাতীয় সংসদের আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তছনছ করে। যার কারণেই ক্রমাগত মাইকের বিভ্রাট দেখা যাচ্ছে। জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম বা সংসদীয় মাইক ব্যবস্থা মেরামত (রিপিয়ার) করতে আমেরিকার কোম্পানির আগ্রহ নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মুলতবির পর অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে এসব কথা বলেন স্পিকার।
মুলতবির পর সংসদের শুরুতেই হাফিজ উদ্দিন বলেন, “মাইকে যে বিভ্রাট হয়েছে, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে ক্ষিপ্ত জনতা জাতীয় সংসদের প্রবেশ করে আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তছনছ করেছে। এই কারণে ক্রমাগত মাইকের বিভ্রাট দেখা যাচ্ছে। আরেকটি কারণ হলো, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ২০২২ সালে এই মাইক সিস্টেম স্থাপিত করা হয়। যারা স্থাপন করেছেন, এটার কোনও ওয়ারেন্টি ছিল কি না, মাইকের কার্যকারিতা কতদিন থাকবে এ সম্বন্ধে কোনও কাগজপত্র পাওয়া যাচ্ছে না। অত্যন্ত হেলাফেলার সঙ্গে এই বিশাল কাজ করা হয়েছে।”
স্পিকার বলেন, “সংসদ কর্তৃপক্ষ আমেরিকার সেই কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। তবে, সাউন্ড সিস্টেমে রিপিয়ারে ওই কোম্পানির কোনও আগ্রহ নাই। তারা এভয়েড করে যাচ্ছে ক্রমাগত। স্থানীয় যে কমিউনিটি এই কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারাও কখনও পলাতক, কখনও দায়ছাড়াভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে। আমি সংসদের সচিবকে নির্দেশ দিয়েছি, এই ব্যাপারে ইনকোয়ারি করে জানাবার জন্যে। কারণ, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই হাউজ, জাতীয় সংসদে এভাবে বারবার মাইক বিভ্রাট ঘটা, এটা আমাদের জাতির ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত কলঙ্কজনক। এগুলো যাতে আর না হয়, সেজন্য সবাই মিলে চেষ্টা করতে হবে।”









