দেশের ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং তরুণদের বৈশ্বিক মানের কনটেন্ট উৎপাদনে উৎসাহিত করতে বাদ্যযন্ত্র, ডিজিটাল মিডিয়া ও চলচ্চিত্র–সংক্রান্ত আমদানি শুল্ক ও কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিনসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র এবং সেগুলোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে এসব বাদ্যযন্ত্রের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা সংগীতশিল্পী ও নতুন প্রজন্মের সংগীতপ্রেমীদের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজ করা কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বড় কর সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক আয়ের ওপর চাপ কমবে এবং অনলাইন কনটেন্ট নির্মাণে নতুন উদ্যোক্তা ও তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
অপরদিকে চলচ্চিত্র ও ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে উচ্চপ্রযুক্তির সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরা, প্রজেক্টর এবং এসব যন্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্কহার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে চলচ্চিত্র নির্মাণ ব্যয় কিছুটা কমবে এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রোডাকশন তৈরির সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সরকারের এসব পদক্ষেপকে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আগামী দিনে ডিজিটাল মিডিয়া, সংগীত ও চলচ্চিত্র খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।









