ডিজিটাল যুগের অপরাধ ঠেকাতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৯আপডেট : ২৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৯

দেশের পাবলিক পরীক্ষায় নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ৪৫ বছর আগের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বিলটি উত্থাপনের পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন। পরে স্পিকার বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের পাবলিক পরীক্ষায় নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রায় ৪৫ বছর আগে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রণয়ন করা হয়। তবে বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন ধারা সময়োপযোগী নয়।

এতে আরও বলা হয়, পাবলিক পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন নিশ্চিত করতে এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংঘটিত পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ড আইনের আওতায় আনতে বিদ্যমান আইনের সংশোধন জরুরি।

বিলের বিবরণে জানানো হয়, গত ২ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই বৈঠকের নির্দেশনার আলোকে খসড়ায় সংযোজন-বিয়োজন ও পরিমার্জন করা হয়। পরে ২৮ এপ্রিল খসড়া আইনটি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হলে ৭ মে তা ভেটিং শেষে ফেরত আসে।

এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনের কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করে পুনরায় ভেটিং সম্পন্ন করে ১৮ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। ৪ জুন মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনটি আরও সংশোধনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সংশোধন শেষে পুনরায় ভেটিং সম্পন্ন করে রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর রুল ১৬ (i) অনুযায়ী ১০ জুন মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। পরে ১৮ জুন মন্ত্রিসভার বৈঠকে সংশোধন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

একই দিনে জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ১ নম্বর আইন)’-এর সংশোধনী বিলও উত্থাপন করা হয়। বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

/এসএমএ/ইউএস/
সম্পর্কিত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা
৪টা পর্যন্ত ভোট দিতে আসেননি রুমিন ফারহানা ও গাজী নজরুল
রাষ্ট্রপতির শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রিত্ব-এমপি পদ শূন্য হবে: চিফ হুইপ
সর্বশেষ খবর
চাঁদার জন্য চেম্বারে ঢুকে চিকিৎসককে মারধর-লুট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
চাঁদার জন্য চেম্বারে ঢুকে চিকিৎসককে মারধর-লুট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের প্রাণহানি: সেই হোটেলের মালিক গ্রেফতার
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের প্রাণহানি: সেই হোটেলের মালিক গ্রেফতার
বিমানবন্দরে কুশসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার 
বিমানবন্দরে কুশসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার 
১০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও ব্যাংক কর্মকর্তারা, প্রতিবাদ জানাতে এসে অজ্ঞান ব্যবসায়ী
১০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও ব্যাংক কর্মকর্তারা, প্রতিবাদ জানাতে এসে অজ্ঞান ব্যবসায়ী
সর্বাধিক পঠিত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান কি ছুটিতে যাচ্ছেন?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান কি ছুটিতে যাচ্ছেন?
সুখবর পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলিভান, শাস্তি পেলেন মেসি 
সুখবর পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলিভান, শাস্তি পেলেন মেসি 
মাছ কেটে স্বাবলম্বী তারা 
মাছ কেটে স্বাবলম্বী তারা 
৪০ ক্যামেরা বসিয়েও খোঁজ মেলেনি সুন্দরবনের সেই বাঘিনীর
৪০ ক্যামেরা বসিয়েও খোঁজ মেলেনি সুন্দরবনের সেই বাঘিনীর
চিকিৎসাধীন সেই শিক্ষকের মৃত্যু, অভিযুক্তদের বাড়িঘরে আগুন
চিকিৎসাধীন সেই শিক্ষকের মৃত্যু, অভিযুক্তদের বাড়িঘরে আগুন