৫ আগস্ট কী দিয়েছে, কী দিতে পারেনি 

মহসীন কবির
০৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:০০আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:০০

২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্টের রায়ে ২০১৮ সালের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাতিল হওয়া ‘কোটাব্যবস্থা পুনর্বহাল হয়। এর মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য সরকারি চাকরির ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত বলবৎ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সেই রায়ের পর আন্দোলনে নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তাদের অভিযোগ ছিল, স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫০ বছর পর এ ধরনের আইন বৈষম্যমূলক— যা সরকারি চাকরিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রমকে দুর্বল করতে পারে। কিন্তু তৎকালীন সরকার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ওপর ছেড়ে দেয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তাদের দাবি পূরণ করতে হবে।

প্রাথমিকভাবে আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল— কোটাপ্রথার সংস্কার করে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের ব্যবস্থা করা। পরবর্তীকালে ঘটনাক্রমের মধ্য দিয়ে এই সংস্কারবাদী আন্দোলনই গণবিদ্রোহে রূপান্তরিত হয়। এতে বেশ কিছু হতাহতের ঘটনা ঘটে। ওই আন্দোলনে দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশ্রগ্রহণ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুধু কোটা সংস্কার নয়, গুম-খুন, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করার বিষয়ে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। তাই দীর্ঘ ১৭ বছরে ক্ষোভ থেকে জুলাই আন্দোলনের সূত্রপাত— যার চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে চব্বিশের ৫ আগস্ট। সে আন্দোলন সফলও হয়।

এক পর্যায়ে ক্ষমতাচ্যুত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এবারের ৫ আগস্ট সে আন্দোলনের দুই বছরপূর্তি। মাঝে ১৮ মাস ক্ষমতায় ছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এরপর তারেক রহমানের রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের মেয়াদ ৬ মাস সম্পন্ন হওয়ার পথে। এই সময়ে এসে জুলাইয়ের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব-নিকাশ সামনে আনছেন কেউ কেউ।

জানতে চাইলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নাগরিক ঐক্যেরে আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘জুলাই আন্দোলনে সরকারের পতন হয়েছে, এটা ছিল সফলতা। কিছু সেক্টরে ইতিবাচক পরিবর্তনও হয়েছে। যেমন- উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলে মেধার ভিত্তিতে আসন পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। মতপ্রকাশে তেমন বাধা নেই। গুমের সংস্কৃতি নেই এবং ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে।’’

‘‘যদিও কিছু হতাশার দিক এখানেও বিদ্যমান। বিশেষ করে চাকরিতে মেধাভিত্তিক সুযোগ নিশ্চিত করাসহ সবক্ষেত্রে অর্থবহ পরিবর্তনের প্রত্যাশা ছিল সাধারণ মানুষের। বিসিএসসহ সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। পুরোনো নিয়মেই চলছে পিএসসি। এখনও মানুষকে আতঙ্কিত করে চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাস আগের মতোই আছে। আর নতুন দলগুলোও প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করতে পারছে না।সংসদেও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়ি হচ্ছে।গণভোটের রায় কার্যকর করা হচ্ছে না।সব মিলিয়ে ৫ আগস্ট কী দিয়েছে ও কী দিতে পারেনি সে হিসাব-নিকাষের খতিয়ান সামনে আসাই স্বাভাবিক।’’ 

ক্ষমতার পরিবর্তনে ত্রাণকর্তার ভূমিকা

২০০৮ সালের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে ক্ষমতায় আসলেও পরবর্তীতে ২০১৪, ১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনকে বিতর্কিত বলে দাবি করে তৎকালীন রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি ও জামায়াতসহ তাদের মিত্ররা। বিভিন্ন সময়ে সরকার পতনের আন্দোলন করলেও বহাল তবিয়তে থাকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। হরতাল-অবরোধসহ রাজপথে কঠোর আন্দোলন করেও সরকার হঠাতে পারেনি। বরং প্রতিবার আন্দোলন ডাক দেওয়ার পরই দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ নেতাদের কারাগারে যাওয়া ছিল অবধারিত। অনেককে আত্মগোপনে থাকতে হতো।

বর্তমান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে একই চিত্র। মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও ছিলেন ভুক্তভোগী। সরকারের কাছে এক ধরনের অসহায় অবস্থার শিকার হয় বিরোধী দলগুলো। বিশেষ করে ২৪ এর জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন ঠেকাতে না পারা, তাদের সেই অসহায়ত্ব স্পষ্ট হয়। টানা চারবারের সরকারকে পতনের যখন কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছিলো না, ঠিক তখনই কোটাবিরোধী আন্দোলন যেন এাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ৩৬ দিনে আন্দোলনে সরকারের পতন হয়। যদি এজন্য কয়েকশ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ)সাধারণ সম্পাদক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক বজলুর রশিদ ফিরোজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ দিনের ফ্যাসিবাদের পতন হয়। এটা বড় অর্জন। কারণ বিরোধী দলগুলোর দেড় দশকের আন্দোলনেও সরকারবিরোধী কার্যকর আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। তবে যে প্রত্যাশা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলনে নেমেছিল, সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ। কারণ ক্ষমতা পরিবর্তনের পর একশ্রেণির রাজনৈতিক কর্মী দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছে। মৌলবাদ ও দক্ষিণপন্থার উত্থান হয়েছে। দুর্নীতি আগের মতো হয়েছে। বিশেষ করে একটি মব সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উদ্ভব দেখা যাচ্ছে— যা জুলাইয়ের চেতনার পরিপন্থী।’’

কোন খাতে অগ্রগতি?

জুলাই আন্দোলন পরবর্তী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও কিছু সাফল্যও উল্লেখযোগ্য বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন না হলে এ ক্ষেত্রে হয়তো আগের চিত্রই দেখা যেতো। বিশেষ করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সরকার ও বিরোধী দলের আলোচনার টেবিলে বসা, জুলাই সনদ তৈরি এবং রাষ্ট্রীয় ভিন্নমতের লোকদের গুম-খুনের সংস্কৃতি গত দুই বছরে খুব একটা দেখা যায় না। এ ছাড়াও বেশ কিছু খাতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে বলে দাবি তাদের।

জানতে চাইলে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল কাইয়ূম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘জুলাইয়ে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হচ্ছে একটি ফ্যসিবাদী সরকারের পরিবর্তন— যা বিগত দেড় যুগেও বাস্তবায়ন করতে পারেনি রাজনৈতিক দলগুলো। এ ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ঐক্য তৈরি হয়েছে। দ্বিমত থাকলেও রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের জন্য একটি সনদ তৈরি হয়েছে। অতীতে মতাদর্শগত কারণে রাজনৈতিক নেতারা এক টেবিলে বসতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু জুলাইয়ের পর এমনটি দেখার যায়নি। জাতীয় ইস্যুতে ডান-বাম আদর্শের নেতারাও একসঙ্গে বৈঠক করেছেন।’’

তিনি বলেন, ‘‘এই সময়ে দেশের প্রতি তরুণদের এক ধরনের দায়বোধ পরিলক্ষিত হচ্ছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাদের সোচ্চার প্রতিবাদের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো— তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন তৈরির আগ্রহ তৈরি হয়েছে। যা দেশের প্রতি তাদের দায়িত্ব জাগ্রত হয় বলে মনে করি।’’

হতাশা কী নিয়ে

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক ধারা তৈরি হলেও কিছু হত্যাশার দিকও সামনে আনছেন রাজনীতিবিদরা। তাদের মতে, একটি নতুন রাজনৈতিক আবহ ও শাসন পদ্ধতি প্রতিষ্ঠার জন্যই মানুষ রাজপথে জীবন বাজি রেখেছেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সে প্রত্যাশার সিকি ভাগও পরিবর্তন হয়নি। বর্তমান নির্বাচিত সরকার অনেক ক্ষেত্রেই কথা রাখনি। এটি ভবিষ্যতের জন্য নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সম্প্রতি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থেকে বের হয়ে যাওয়া খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপি কিছু কিছু ক্ষেত্রে দ্বিমত পোষণ করলেও অঙ্গীকার নামায় সই করেছেন দলটির নেতারা। বিশেষ করে একই ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না থাকা, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল ও দ্বিতীয় বিরোধী দলীয় নেতার মতামত নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার তা অনুসরণ না করে সম্পূর্ণ এককভাবে দলীয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দিচ্ছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় মতাদর্শের ব্যক্তিদের নিয়োগ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে দলীয় নেতাদের বসানো সবই হচ্ছে আগের মতো— যা জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামার সঙ্গে প্রতারণার শামিল।’’

অপরদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, ‘‘জুলাইয়ে চাওয়া-পাওয়ার জায়গা ছিল রাষ্ট্র কাঠামোতে বড় পরিবর্তন। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে রায় দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু সে রায়টাও এখনও কার্যকর করা হচ্ছে না— যা খুবই হতাশাজনক।’’ গত ১ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, আগের মতোই ফ্যাসিবাদী কায়দায় বিরোধী দলের কর্মসূচিতে হামলা চালানোর ঘটনা রাজনীতিতে নতুন অশনিসংকেত ডেকে আন পারে।

তবুও আশাবাদী বিএনপি-জামায়াত

জুলাইয়ের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত থাকলেও সামনে নতুন কিছু হবে বলে আশাদী ক্ষমতাসীন বিএনপি ও প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিরোধী দল মনে করে সরকার অনেক ক্ষেত্রেই কথা রাখতে পারেনি।

আর ক্ষমতাসীন দল মনে করে, ৬ মাসে জুলাইয়ের আদর্শকে ধারণ করে অনেক কাজ বাস্তবায়ন করেছে সরকার। সামনে আরও অনেক কাজ সম্পন্ন হবে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. হামিদুর রহমান আযাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘জুলাই অভ্যুত্থানের কারণেই ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু সরকার শহীদদের আত্মত্যাগকে অবজ্ঞা করছে। বিশেষ করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না ও সংবিধান সংস্কার কমিটির পরিবর্তে সংশোধন কমিটি গঠন করেছে। বিরোধী দলের দাবিকে উপেক্ষা করছে। সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ, অসাংবিধানিকভাবে প্রশাসক নিয়োগ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ না হওয়া  খুবই দুঃখজনক। তবে আমরা আশা রাখতে চা,ই যেহেতু বিএনপিও জুলাইয়ের শক্তি, হয়তো এক সময় তারাও জনপ্রত্যাশা পূরণ করবে।’’

 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সেলিমা রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘বিগত ফ্যাসিবাদ মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে রেখেছিল। তাই এক ধরনের ভয়ের সংস্কৃতি চালু ছিল। তবে জুলাইয়ের পর সে দৃশ্য নেই। এখন মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারছে। প্রতিপক্ষের ওপর কোনও নির্যাতন নেই। গুম-খুন নেই। একটি প্রাণবন্ত সংসদ বিদ্যমান। এছাড়া সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা বাস্তবায়ন করেছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘মাত্র ৬ মাসে প্রত্যাশার বাইরে কাজ করেছে সরকার। আর যেসব বিষয়ে ঘাটতি রয়েছে, আগামী দিনে সেগুলোও বাস্তবায়ন হব’’, বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
জুলাই কোনও নির্দিষ্ট শ্রেণির নয়, গণমানুষের: গণঅভ্যুত্থান দিবসে ড. ইউনূস 
স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য ৫ আগস্ট আনন্দের দিন: প্রধানমন্ত্রী
৫ আগস্ট জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন: নাহিদ ইসলাম
সর্বশেষ খবর
ইরানের সঙ্গে সারাদিন আলোচনা, শিগগিরই চুক্তির আশা ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে সারাদিন আলোচনা, শিগগিরই চুক্তির আশা ট্রাম্পের
জুলাই কোনও নির্দিষ্ট শ্রেণির নয়, গণমানুষের: গণঅভ্যুত্থান দিবসে ড. ইউনূস 
জুলাই কোনও নির্দিষ্ট শ্রেণির নয়, গণমানুষের: গণঅভ্যুত্থান দিবসে ড. ইউনূস 
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রশাসনকে যে অনুরোধ করলো ছাত্রদল
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রশাসনকে যে অনুরোধ করলো ছাত্রদল
ট্রাম্পের সফরের আগে গলফ ক্লাবে অস্ত্রসহ বন্দুকধারী গ্রেফতার
ট্রাম্পের সফরের আগে গলফ ক্লাবে অস্ত্রসহ বন্দুকধারী গ্রেফতার
সর্বাধিক পঠিত
পাকিস্তানে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
পাকিস্তানে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
মা-কে বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় কর্মীকে বরখাস্ত করলেন মালিক
মা-কে বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় কর্মীকে বরখাস্ত করলেন মালিক
আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডারকে পেতে দুই ক্লাবের লড়াই 
আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডারকে পেতে দুই ক্লাবের লড়াই 
‘১০০ শতাংশ’ দাবিতে ডাবরের মধু-ঘি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা
‘১০০ শতাংশ’ দাবিতে ডাবরের মধু-ঘি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা
অক্সফোর্ডের ভুয়া ডিগ্রি ও জালিয়াতি: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক এমপি প্রার্থীর কারাদণ্ড
অক্সফোর্ডের ভুয়া ডিগ্রি ও জালিয়াতি: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক এমপি প্রার্থীর কারাদণ্ড