আজ শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহম্মদ আব্দুল কাদির এর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে চট্টগ্রামের বাসা থেকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে হত্যা করে।
লে.কর্নেল কাদির মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সামরিক অফিসার। ১৯২৯ সালে ২ জানুয়ারি রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার মোস্তাফাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬২ সালে আর্মি স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করেন। তার আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৪৯ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। সেনাবাহিনীতে বাঙালি চেতনার জন্য পাকিস্তানি অফিসাররা তাকে ডাকতেন ‘ভাসানী’ নামে।
স্বাধীনতার পরে নাটোরে সেনানিবাস নির্মিত হলে এই বুদ্ধিজীবী সেনা অফিসারের নামে সেনানিবাসটির নামকরণ করা হয় ‘কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট’। নিখোঁজ ও নিহত হওয়ার পরে তার কবরটিও অচিহ্নিত ছিল দীর্ঘদিন। ২০০৭ সালে সেটির সন্ধান পাওয়া গেলে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে তাকে আবারও সমাহিত করা হয়।
তাঁকে শহীদ বুদ্ধিজীবীর স্বীকৃতি দিয়ে তার নামে একটি পোস্টাল স্ট্যাম্পও ইস্যু করেছিল সরকার।
মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় তাঁর জন্য সবার দোয়া কামনা করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে। এছাড়াও এ উপলক্ষে এবারও কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্টে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে ও তাঁর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।
/এমপি/টিএন/
আরও পড়তে পারেন:








